Wed. Mar 3rd, 2021

এয়ারপোর্ট থানার এসআই লোকমানের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্তঃ নেই

ডেইলি বিডি নিউজঃ সিলেট মেট্রোপলিটন চোর-ডাকাতদের শেল্টার, গ্রেফতার ও ছেড়ে দেওয়া এবং ওয়ারেন্ট বানিজ্যেসহ অভিযোগের অন্তঃ নেই। ফলে থানার আইনশৃংখলা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। জননিরাপত্তার বদলে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন সাধারন মানুষ। গত ২৭ ডিসেম্বর এসএমপি’ কমিশনার বরাবরে এ মর্মে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি পুলিশের একজন পদস্থ কর্মকর্তার তদন্তে দেওয়া হয়েছে। এসএমসপি পুলিশের সংশ্লিষ্ট শাখা অভিযোগ প্রপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

অভিযোগে প্রকাশ,গত ১৮ অক্টোবর এসএমপি’র এয়ারপোর্ট থানাধীন বড়শালা গ্রামের শাহাদাতুজ্জামান জোহার প্রাইভেট জীপ গাড়ির ব্যাটারী চুরি হয়। ওইদিন বিকেলে ব্যাটারীসহ ৩ চোরকে আটক করে স্থানীয় জনতা। এ সময় জুয়েল নামের এক চোর ফসকে পালিয়ে যায়। পরে ধৃত ২ চোরকে এয়ারপোর্ট থানায় দিলে মামলা {নং-২১(১০)২০} হয়। শাহাদাতুজ্জামান জোহা বাদী হয়ে ধৃত ২জন ও পলাতক জুয়েলসহ ৩জনকে এজাহার নামীয় আসামী করে এ মামলা করেন। মামলার তদন্তভার দেয়া হয় থানার এসআই লোকমানকে। ঘটনার পর থেকে পলাতক জুয়েল প্রকাশ্যে ঘুর বেড়ালেও তাকে গ্রেফতার করেন নি এসআই লোকমান।

এদিকে গত ২৬ ডিসেম্বর বাদী শাহাদাতুজ্জামান জোহা সহ এলাকার লোকজন ওই মামলার পলাতক আসামী জুয়েলকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। এসময় থানার ডিউটি অফিসার এসআই পলাশ আসামীকে গ্রহণ না করে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লোকমানের সাথে যোগাযোগ করেন। এ সময় এসআই লোকমানের নির্দেশে আটককারীদের চরমভাবে ভৎর্সনা করা হয় এবং তাদের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে এসআই লোকমানের নির্দেশে মামলার আসামী চোর জুয়েলকে ছেড়ে দেয় হয়। জুয়েলের বিরুদ্ধে ৩টি মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা থাকলেও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহারনামী ও ওয়ারেন্টেী আসামী ছেড়ে দেওয়ায় এবং আটককারীদের গালমন্দ করায় মামলার বাদী শাহাদাতুজ্জামান জোহা রোববার (২৭ ডিসেম্বর) এসএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবরে এসআই লোকমানের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের খবর পেয়ে এসআই রোকমাান রোববার রাত সাড়ে ৮টায় শাহাদাতুজ্জামান জোহাকে খবর দিয়ে স্থানীয় বাজারে নিয়ে তাকে নানা হুমকি ধমকি দেন এবং নিজের ক্ষমতার বাহাদুরী জাহির করেন। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন মামলার বাদী শাহাদাতুজ্জামান জোহা ও তার স্বজনরা। যে কোন সময় চোরের পক্ষ নিয়ে এসআই লোকমান তার সার্বিক ক্ষতি করতে পারেন বলে তিনি আশংকাবোধ করছেন জোহা।

অভিযোগের ব্যাপারে এসআই লোকমানের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে তিনি আসামী জুয়েলকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেন । পরে স্বীকার করে জানান-গত নভেম্বর মাসেই মামলাটির চার্জশিট দাখিল করে ফেলেছেন তিনি। চার্জশিট দেওয়ার পর আসামী গ্রেফতারের কোন বিধান নেই বলেও জানান তিনি।