Sun. Apr 11th, 2021

রেহানা কারও কষ্ট দেখলে খবর পাঠায়, চেষ্টা করি ব্যবস্থা নিতেঃ প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি বিডি নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার ছোট বোন রেহানা যখন লন্ডনে থাকে তখন সে অনলাইনে নিয়মিত পত্রিকা পড়ে এবং কারও কোনো কষ্ট দেখলে সঙ্গে সঙ্গে আমাকে খবর পাঠায়। আমি চেষ্টা করি ব্যবস্থা নিতে।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

করোনাভাইরাসের কারণে গণভবনে একরকম বন্দি জীবন-যাপন করার কথা পুনর্ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন,আমার বাইরে যাওয়া নিষেধ। সেকারণে এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের সুবিধায় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিচ্ছি। আজ বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে বলে এটা সম্ভব হচ্ছে। এটা না হলে এইটুকু সুযোগ পেতাম কিনা সন্দেহ। আমারও একটা দুঃখ থেকে গেল; আমি নিজে উপস্থিত থেকে পুরস্কার দিতে পারলাম না। আশা করি করোনাভাইরাস থেকে দেশ মুক্তি পাবে। আবার সকলে আমরা এক হতে পারব। সেই দিনটির অপেক্ষায় রইলাম।

চলচ্চিত্র শিল্পে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, পাকিস্তান আমলে বাঙালি সিনেমা শিল্প করবে- এটা পাকিস্তানি শাসকরা কখনও চাইতো না। তারা এটা নিয়ে অনেক ব্যাঙ্গও করত। কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সঙ্গে আমাদের সিনেমা শিল্প,শিল্পী ও সাহিত্যিক সবার ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। আমি ছোটবেলা থেকেই দেখেছি,অনেকেই আমাদের বাসায় সবসময় আসা যাওয়া করতেন এবং বাবার সঙ্গে অনেকের গভীর বন্ধুত্ব ছিল। বঙ্গবন্ধু তাদের বলেছিলেন, কি রে তোরা পারবি না সিনেমা বানাতে? সেই থেকেই যাত্রা শুরু।

স্বাধীনতার পর চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে জাতির পিতার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমি দেখেছি, অনেক শিল্পীর আমাদের বাসায় অবাধ যাতায়াত ছিল। এমনকি ধানমন্ডি লেকের সামনে যখন শ্যুটিং হতো তখন সবাই আমাদের বাসায় এসেই বসতো, চা-পানি খেত। মা সবাইকে আপ্যায়ন করতেন। আমাদের সবাই সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে ভালোভাবে জড়িত ছিল। আমার ছোট ভাই শেখ কামাল নাটক করতো। নাট্য মঞ্চে তার বেশ ভালো ভূমিকা ছিল। আমাদের বাসার সকলে খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চা সম্পৃক্ত ছিল।

বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিকে উন্নত করে তৈরি করা হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,এফডিসির ওখানে কারওয়ান বাজার। এটি একটি হোল সেল মার্কেট। তবে ঢাকার হোল সেল মার্কেট আমরা বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যেতে চাচ্ছি। এখানে হয়তো কিছু থাকবে। কিন্তু মূলটা আমরা সরিয়ে নেব। হাতিরঝিল হওয়াতে এফডিসির গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। তাই এই জায়গাটাকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। সেখানে তিনশ কোটি টাকার একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন হচ্ছে।