Sun. Apr 11th, 2021

ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

ডেইলি বিডি নিউজঃ ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রেলের বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামকে প্রধান করে গঠিত কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারে আরও ৭-৮ ঘন্টা সময় লাগতে পারে বলে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ তথ্য জানিয়েছেন রেলওয়ে সিলেট স্টেশনের কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টার দিকে চট্রগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে আসা জ্বালানি তেলবাহী ট্রেনের ২১টি বগির মধ্যে ১০টি লাইনচ্যুত হলে তেল ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়।

গভীর রাতে উদ্ধার কাজ শুরু করে কুলাউড়া থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন নিয়ে আসা তিন সদস্যের দল। শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত লাইনচ্যুত তেলবাহী ১০টি বগির মাত্র দুইটি উদ্ধার করতে পেরেছেন তারা।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের সিনিয়র সাব অ্যাসিস্টেন্ট মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দুলাল চন্দ্র দাস জানান, চট্রগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে আসা জ্বালানি তেলবাহী ট্রেনের ২১টি বগির মধ্যে ১০টি লাইনচ্যুত হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে দুইটি বগি উদ্ধার করতে পেরেছি।

বাকিগুলো উদ্ধারে আরও অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। লাইনচ্যুত অবশিষ্ট বগিগুলো উদ্ধারে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন সকাল ৯টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে।

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার মো. খলিলুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা থেকে আসা আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস কুলাউড়ায় ও চট্রগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেন শ্রীমঙ্গলে আটকা পড়েছে। রেলপথ স্বাভাবিক হতে কতটা সময় লাগবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।

তেলবাহী ট্রেনটি ২১টি বগি নিয়ে আসছিল। এরমধ্যে ১০টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।