Sun. Apr 11th, 2021

সুইডেন-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবেঃ স্পিকার

ডেইলি বিডি নিউজঃ করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়োপযোগী পদেক্ষেপের কারণেই বর্তমানে জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্য স্বাভাবিক গতিতে চলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, করোনায় বাংলাদেশে মৃত্যুহার তুলনামূলকভাবে কম। তৃণমূল পর্যায়ে দরিদ্র জনগণ যেন অনাহারে মৃত্যুবরণ না করে সে জন্য সঠিক সময়ে খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করেছে সরকার।

জাতীয় সংসদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বের্গ ভন লিনডে’র সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় স্পিকার সুইডেন রাষ্ট্রদূতকে করোনা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পদক্ষেপ সম্পর্কে এসব কথা জানান।

স্পিকার বলেন, বর্তমান সরকার সবার জন্য কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সরবরাহে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের বর্তমান অবস্থা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন, এসডিজি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সংরক্ষণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, সুইডেন বাংলাদেশের অনেক পুরনো বন্ধু এবং সুইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়। এ সময় ভবিষ্যতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রদূত অ্যালেজান্ড্রা বের্গ ভন লিনডে বলেন, কোভিডকালীন সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার প্রচেষ্টা, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের গৃহীত কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে। বাংলাদেশের এ অগ্রযাত্রার ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন অ্যালেজান্ড্রা বের্গ ভন লিনডে।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমান সরকার মাতৃস্বাস্থ্য উন্নয়ন, মাতৃমৃত্যু হ্রাস, বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ, সাইক্লোন ও ফ্লাড (বন্যা) সেন্টার নির্মাণের পাশাপাশি বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশ সংরক্ষণ, প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর যথাযথ মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়ন, সবার জন্য নিরাপদ সুপেয় পানি সরবররাহ নিশ্চিতকরণে নিরবচ্ছিন্ন কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার এসব প্রচেষ্টায় সুইডেন সরকার সর্বদা পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।

এ সময় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।