Mon. Apr 12th, 2021

পুলিশের ভূমিকার কারণেই মওদূদ হত্যার রহস্য বের হয়

ডেইলি বিডি নিউজঃ সিলেট নগরীর ব্যস্ততম এলাকা বহুল আলোচিত সেই ফাঁড়ির অদূরে সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিদের পিটুনীতে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদূদ আহমদ নিহতের ঘটনায় পুলিশের গাফলতি রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সিলেটের ব্যাংকাররা। ঘটনার ৩ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনো কোনো আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে নি। এতে বিস্মিত সিলেটের সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষজন। কিন্ত খুনের ঘটনা বের আসলো কীভাবে? এই রহস্য উন্মোচনে কার ভূমিকা রয়েছে তাও জানার দরকার সিলেটবাসীর। একতরফা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন না তুলে জানুন পেছেনের কাহিনী। শ্যামল সিলেটের অনুসন্ধানে জানা গেছে-শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা ৪২ মিনিটে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যখন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়েন মওদূদ আহমদ। মারা যাবার পর পরিবারের লোকজন ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়েছিলেন। মৃত্যু নিয়ে পুলিশের কাছে রহস্যের জন্ম নিল। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে শরীরে বড় ধরণের আঘঅতের চিহৃ থাকার কথা। ব্যাপার কী? শুধু মাত্র মরদেহের কপালে আর নাকে হালকা জখমের রেখা মাত্র দেখা যাচ্ছে। এটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়,পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। সেই সন্দেহ থেকে পুলিশের তৎপরতায় বেরিয়ে আসে ব্যাংকার মওদূদ আহমদ হত্যাকাণ্ডের পেছনের কথা। কোতোয়ালি থানার পুলিশের পরামর্শে ঘটনার পরের দিন রবিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিহত মওদূদ আহমদের বড় থানায় হত্যা মামলা মামলা (নং-৬৩) দায়ের করেন। মামলায় সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে ঘাতক সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এব্যাপারে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আবু ফরহাদ বলেন-প্রথমে এই হত্যাকাণ্ডটিকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়া পরিবেশ তৈরি করেছিলো। পরে আমরা খোঁজাখুঁজি আসল ঘটনা বের করলাম। কিন্তু জড়িতরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে একজনকে শনাক্ত করেছি আমরা। অচিরেই জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।