Mon. Apr 12th, 2021

যে কারণে কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন নির্বাচনে এগিয়ে প্রভাষক ফাহাদ চৌধুরী?

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুলাউড়া:: কুলাউড়া উপজেলা ৭নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি স্থানীয় রাজনীতিবিদের মাঝে পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান চৌধুরীর পুত্র এক সময়ের জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা  প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী (ফাহাদ)।

২০০৬ সালের কুলাউড়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। সে-সময় বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীদের হাতে নির্যাতিত ছিলেন। তাছারা এখনও ফাহাদ চৌধুরীর মাথার এক পাশে আঘাতের দাগ রয়েছে।

ঘরের শত্রুর কাছে জিম্মি এই ইউনিয়নের মানুষ|দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে বার বার দলের বিদ্রোহী প্রার্থীকে জয় করানো হয় নানা কৌশলে। এর ফলে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন। ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত না করায় বারবার অপমানিত হতে হচ্ছে এ ইউনিয়নটি। তবে একাট্রা হয়ে এবার উন্নয়নের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চান ইউনিয়নবাসী।২০২১ সালের নির্বাচনে একজন সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন।

ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলছেন- ক্লিন ইমেজের জন্য স্থানীয় মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয় প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী। তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার সুবাদে বিগতদিন অনেক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড করেছেন।পাশাপাশি তিনি কৃষক চা-শ্রমিক-জনতার জন্য অনেক কাজ করে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ছিলেন।

ইয়াকুব-তাজুল মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়নে বাবার পথ ধরেই দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দলমত নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক ফাহাদ চৌধুরী। এলাকার মানুষের বিপদে পাশে থাকায় সবাই তাকে পছন্দ করেন। এলাকার মানুষই তাকে নির্বাচনে অংশ নিতে অনুরোধ করেছিলেন। ফলে সুষ্ঠু ভোট হলে বিজয়ী হবেন বলে বিশ্বাস করেন তারা।

ইউপি নির্বাচন নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। আমি নির্বাচিত হলে আমি সদর ইউনিয়নবাসীকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন উপহার দিতে চাই।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নে অনেক সেবা আছে, যেগুলো স্থানীয় মানুষ জানেন না। ঠিকঠাক সেগুলো তাদের কাছে পৌঁছে দিলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন। আমি সেই সেবাগুলো তাদের  পৌঁছে দিতে চাই। এবং ইউনিয়নে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।