Main Menu

শুল্ক গোয়েন্দায় বিশ্বব্যাংকের আরেকটি গাড়ি জমা

ডেইলি বিডি নিউজঃ শুল্ক গোয়েন্দার কাছে আরো একটি গাড়ি জমা দিল বিশ্বব্যাংক। এ নিয়ে মোট তিনটি গাড়ি জব্দ হলো।

সংস্থাটির একজন প্রাক্তন কর্মকর্তার ব্যবহৃত গাড়ির বিরুদ্ধে শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের অভিযোগ ছিল। রোববার সকালে কাগজপত্র যাচাই শেষে শুল্ক গোয়েন্দা গাড়িটি জব্দ দেখিয়েছে।

গাড়িটি গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টায় বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ অফিস থেকে একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে কাকরাইলস্থ শুল্ক গোয়েন্দার সদর দপ্তরে পাঠায়।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, রোববার সকালে কাগজপত্র যাচাই শেষে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর গাড়িটি জব্দ করেছে। সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কিমিয়া ফ্যানের (Qimia Fan) চিঠিও দেওয়া হয়েছে। যেখানে স্বেচ্ছায় গাড়ি সমর্পণের কথা বলা হয়েছে।

শুল্ক গোয়েন্দা সূত্র আরো জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুসারে গাড়িটির ব্যবহারকারী ছিলেন নিহাল ফারনান্দো। তিনি ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র রুরাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি ব্যক্তিগত ব্যবহারের উদ্দেশ্যে গাড়িটি শুল্কমুক্ত সুবিধায় কেনেন। নিহাল ফারনান্দোর (কাস্টমস পাশবুক নম্বর ৫০/০৮) ব্যবহৃত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন: AJB-066, মডেল: Toyota Allion, তৈরি সাল: ২০০৬।

সূত্র জানায়, নিহাল ফারনান্দো ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে অ্যাসাইনমেন্ট শেষে স্থায়ীভাবে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। কিন্তু আইন অনুসারে তিনি বাংলাদেশ ত্যাগের আগে ব্যবহৃত কাস্টমস পাশবুক ও গাড়িটি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে যাননি। এতে শুল্ক আইন ভঙ্গ হয়েছে এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। শুল্ক গোয়েন্দা এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করলে বিশ্বব্যাংক এর আগে দুটি গাড়ি হস্তান্তর করে।

বাংলাদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও বিদেশি সংস্থায় কর্মরত কুটনৈতিক সুবিধাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারসংক্রান্ত চলমান তদন্তের প্রয়োজনে শুল্ক গোয়েন্দা সদর দপ্তর থেকে বিশ্বব্যাংকের কাছে তথ্য চাওয়া হয়। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকাস্থ বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ দপ্তর থেকে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল শুল্ক গোয়েন্দা দপ্তরে উপস্থিত হয়ে তাদের পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এতে শুল্ক গোয়েন্দার তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। আরো বেশ কিছু গাড়িতে গরমিল রয়েছে বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য মিলেছে। এগুলোর ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






Related News

Comments are Closed