Main Menu

গর্বিত ছাত্রলীগের গর্বিত অংশীদার

আহমেদ তানভীরঃ গৌরব,ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭০ বছর পালনে উৎসবমুখর গোটা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। চারিদিক যখন উৎসবমুখর তখন আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবারের সদস্য আমার কেন হই এর পিছনে রহস্য কি? এসব মাথায় ঘুরপাক খেতে খেতে কিছু চমৎকার ব্যাপার আবিষ্কার করলাম। ছাত্রলীগ পরিবারের বিরাট একটা অংশ সক্রিয় ছাত্ররাজনীতিতে আসে পারিবারিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ কে অন্তরে লালন করার কারনে। পারিবারিকভাবে লালিত আদর্শ কে সাংগঠনিক কাঠামোতে কাজে লাগাতেই বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একমাত্র ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবারের গর্বিত অংশীদার হতে কেউ ভুল করে না।

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির সাথে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন ,৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ,৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ত্যাগ সর্বজন স্বীকৃত। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল। ইতিহাসের পাতায় ছাত্রলীগের নাম জ্বলজ্বল করা এবং গর্বিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গর্বিত অংশীদার হতে অনেকেই ছাত্রলীগের সাথে নিজেকে জড়ায়। শুধু ইতিহাসের পাতায় নয় এখনও শিক্ষা, শান্তি আর প্রগতিতে বলীয়ান বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া এই সংগঠনটি।

রোহিঙ্গাদের আমরা এখন প্রায় ভুলতে বসলেও রোহিঙ্গাদের পাশে থেকে সরে যায়নি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। কক্সবাজার ছাত্রলীগ প্রায় একশো দিন হতে চলেছে মেডিকেল ক্যাম্প করে রোহিঙ্গাদের সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। নিজেকে প্রশ্ন করে আরো চমকপ্রদ উত্তর পেলাম। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাথে হয়তো জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিজেকে জড়ানো যাবে। কিন্তু ছাত্রজীবন চলে গেলে নিজেকে আর কখনোই ছাত্রলীগের গর্বিত অংশীদার হিসেবে পরিচয় দেয়া যাবে না। মূলত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গর্বিত অংশীদার হতেই এই ছাত্রসংগঠনটির সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলা। যাতে অদূরভবিষ্যতে ছাত্রলীগ না করার আফসোস করতে না হয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময় বলতেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। ১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি থেকে পথচলা শুরু যে সংগঠনের সেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের অতীত জুড়ে ছিল বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যত জুড়েও থাকবে। গৌরব,ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭০ বছরে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের অভিনন্দন।






Related News

Comments are Closed