Main Menu

আমি পক্ষ নিচ্ছি সাকিব আল হাসানের, আপনি?

নাঈম চৌধুরীঃ গতকাল নিদাহাস ট্রফির অঘোষিত সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয়ের জন্য শেষ ওভারে বাংলাদেশের দরকার ছিল ১২ রান। প্রথম বলটি ছিল বাউন্সার। রান নিতে পারেননি মুস্তাফিজ। পরের বলও বাউন্সার, আবারও রান নেই। মাহমুদউল্লাহকে স্ট্রাইক দিতে গিয়ে রান আউট মুস্তাফিজ। টি-টোয়েন্টিতে একটির বেশি বাউন্সার দিলে ‘নো’। মুস্তাফিজ যখন ফিরছেন, মাহমুদউল্লাহ লেগ আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আম্পায়ার ‘নো’ বলের সংকেত দেন।
এবার প্রতিবাদ লঙ্কানদের। তারা আম্পায়ারকে ঘিরে ধরেন। লেগ আম্পায়ার গিয়ে মূল আম্পায়ারের সঙ্গে আলোচনা করে ‘নো’ তুলে নেন। এবার প্রতিবাদ করেন মাহমুদউল্লাহ। মাঠের বাইরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাকিব। চতুর্থ আম্পায়ার তাকে বারবার আটকাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছিলেন। এর মাঝেই সাকিব ইশারা দেন দলের কম্পিউটার অ্যানালিস্টকে। তিনি রিপ্লে দেখে সাকিবকে জানান বল কাঁধের ওপর ছিল। এবার সাকিবের সঙ্গে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দলের সবাই।
 
আম্পায়াররা নো বল দিতে রাজি নন। সাকিব ইশারায় দু্ই ব্যাটসম্যানকে ডেকে মাঠ ছেড়ে চলে আসতে বলেন। মাহমুদউল্লাহ ও রুবেল মাঠের বাইরে প্রায় চলেই গিয়েছিলেন। দুই দলের অন্য ক্রিকেটারদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। কথার লড়াই তো ছিলই, প্রায় হাতাহাতির উপক্রম। বাংলাদেশ দলের বেঞ্চে থাকা নুরুল হাসানের সঙ্গে লেগে যায় কুসল মেন্ডিসসহ লঙ্কানদের বেশ কজনের। ভরা গ্যালারি ফুটছিল তীব্র উত্তেজনায়। শব্দে কান পাতা ছিল দায়। তখন ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ। ব্যাটসম্যানদের বলেন খেলা চালিয়ে যেতে। সাকিব ক্ষোভ নিয়ে ঢুকে যান ড্রেসিং রুমে। সেখান থেকে মাহমুদউল্লাহর বীরত্বে অসাধারণ জয়।
 
যদিও অনেকে বলছেন সাকিব আল হাসানের এমন ব্যবহার ক্রিকেটিয় আচরণের বাহিরে, কিন্তু আমি বলবো সাকিব আল হাসান, যিনি কিনা বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার তিনি তার এই আচরনে জয় করেছেন আমার মত লক্ষাধিক বাঙ্গালীর মন। কারন এই আচরনে ফুটে উঠেছে আমাদের জাতীয়তা, আমাদের ইতিহাসের ঝলক। এই আচরনে আমি দেখা পেয়েছি, ৫২ সালে মায়ের ভাষা আদায়ে বদ্ধপরিকর সালাম বরকত রফিক জব্বারের। এই আচরনে আমি দেখা পেয়েছি, হার না মানা সেই বাঙ্গালীদের যারা নাকানিচুবানি খাইয়েছিলেন তৎকালীন যুগের সেরা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীকে। এই আচরনে আমি দেখা পেয়েছি, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের, যিনি আমাদের শিখিয়ে ছিলেন কিভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হয়, কিভাবে নিজেদের অধিকার আদায় করে নিতে হয়। আর ঠিক সেভাবেই বাংলাদেশ জাতীয় টি-২০ দলের অধিনায়ক ও কড়া ভাষায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন নিজ দলের দিকে ধাবমান অন্যায়ের। নতুবা রচিত হতে পারতো আরেকটি বেদনাহত অশ্রুভেজা পরাজয়ের কাব্য।
আম্পায়ারের ‘নো’ বল সংকেত
 
বাংলাদেশ প্রথম ক্রিকেট ম্যাচ খেলে ১৯৭৭ সালের ৭ই জানুয়ারি। আর সেদিন থেকেই বাংলাদেশ দেখে আসছে কিভাবে একের পর এক অন্যায় সিদ্ধান্ত চেপেছে আমাদের ঘাড়ে। ২০০৩ সালে মুলতান টেস্টে আমরা দেখেছি অলক কাপালির ব্যাট ছুঁয়ে বল মাটিতে পড়লেও, আম্পায়ার কিন্তু পাকিস্তানের রশীদ লতিফের আপিল মেনে অলককে আউট দিয়েছিলেন। আমার আজো মনে পড়ে, মুলতান টেস্টে রশীদ লতিফ যখন অলক কাপালির ক্যাচ নিয়ে মিথ্যে দাবি করেছিলেন, আতহার চিৎকার করে বলেছিলেন, ‘এটা অন্যায়।’ রমিজ রাজা খোটা মেরে বলেন, ‘টিপিক্যাল বাংলাদেশি স্টাইল।’ চুপ থাকেননি আতহার। বলেছিলেন, ‘অ্যান্ড লতিফ ডিড হোয়াট ইজ টিপিক্যাল পাকিস্তানি স্টাইল।’
 
২০১০ সালে দেশের মটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজেও ভুল আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়েছিলো বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন জিম্বাবুয়ের মতো দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতায় ‘বাংলাদেশ যে অবিচারের শিকার হয়েছে, সে বিষয়ে ক্রিকেটের সবচেয়ে প্রভাবশালী ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো প্রতিবেদক অ্যান্ড্রু মিলারের কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার বলেছিলেন, “ছোট দলগুলোর বিপক্ষে আম্পায়াররা বেশি ভুল সিদ্ধান্ত দেন।” আর বাংলাদেশের তৎকালীন কোচ জেমি সিডন্স বলেছিলেন, “আমার পুরো ক্যারিয়ারে তাই মনে হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে কাজ করার সময় কখনোই মনে হয়নি, আম্পায়াররা আমাদের বিপক্ষে। কিন্তু বাংলাদেশের এমনটা মনে হচ্ছে”।
 
এছাড়া বিগত বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে আমাদের পরাজয়টা আমি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারি না। বাংলাদেশকে জোর করে হারিয়ে দেয়া হয়েছে, আমার মত এমন বিশ্বাসী লোকের সংখ্যাই বেশি। স্কোর কার্ডে হয়তো চিরকাল লেখা থাকবে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পরিষ্কার ব্যবধানেই জিতেছিল ভারত। ১৬ কোটি লাল-সবুজ হৃদয়ের দীর্ঘশ্বাসও একদিন মিলিয়ে যাবে। জীবন এগিয়ে যাবে জীবনের নিয়মে। কেউ মনে রাখবে না ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে কত বড় অন্যায়ের শিকার হয়েছিল বাংলাদেশ দল। হারের ধরন যেমনই হোক না কেন, সত্য হল বাংলাদেশের স্বপ্ন খুন হয়েছে আম্পায়ারদের হাতে।
 
আইসিসি কতৃক কৃত অন্যায়ের প্রতিবাদে আ হ ম মোস্তফা কামালের আইসিসি ত্যাগঃ ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে আম্পায়ারিংয়ের মানের বিষয়ে তিনি সংক্ষুদ্ধ হন ও সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের হুমকি দেন। এরপর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন যে, ভারতীয় দল খেলায় জয়লাভ করেছে কেননা আম্পায়ারিংয়ে ত্রুটি ছিল। এর পরপরই আইসিসি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে এবং মোস্তফা কামালের মন্তব্যটি ভিত্তিহীন বলে জানায় ও ব্যক্তিগত আবেগ-অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে মন্তব্য করে। আইসিসি’র প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন মনে করেন যে, অভিযোগটি ভিত্তিহীন ও আম্পায়ারদের ভুলের বিষয়টি অপ্রত্যাশিত ঘটনা। ৫০% – ৫০% অনুপাতে থাকায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। এরপর এপ্রিল ১, ২০১৫ তারিখে সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি৷ তখন তিনি বলেছিলেন, “১৬ কোটি মানুষকে ছোট করে সভাপতির পদ আমার দরকার নেই”। তিনি আরো বলেছিলেন, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের সাথে যে আচরণ করা হয়েছে সে কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
 
আরো আছে, টি-২০ বিশ্বকাপে আরাফাত সানি ও তাসকিন আহমেদের বোলিং অ্যাকশন অবৈধ ঘোষনাও আমার কাছে আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া অন্যায় বলে মনে হয়, কারন আমরা ছোট দল, আমাদের বলার বা করার কোন অধিকার নেই। আমি আজো বিশ্বাস করি বিশ্বক্রিকেটের তিন পরাশক্তির অন্যতম ভারত পরিকল্পিতভাবে নোংরা রাজনীতির মাধ্যমে তাসকিন-সানিকে নিষিদ্ধ করিয়েছিলো।
 
এছাড়া নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশে খেলতে না আসাসহ ইতোপূর্বেও নানা অবিচারের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট। এমনকি টিটোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোয়ালিফায়িং রাউন্ডে বাংলাদেশকে খেলানো নিয়েও রয়েছে জোরালো প্রশ্ন।
 
মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিকরা যখন প্রাণান্তকর চেস্টা করে দেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নেয়ার চেস্টায় মাঠ কামড়ে পড়ে থাকতেন তখন থেকেই আমি বিশ্বাস করতাম বাংলাদেশের ক্রিকেটের সুদিন আসবেই, সেটা খুবই নিকটে। হ্যাঁ, আজ বাংলাদেশের সুদিন ফিরেছে। ক্রিকেটের রথী-মহারথীদের আজ বলে-কয়ে হারাতে পারি আমরা।
 
বাংলাদেশের ক্রিকেটের অন্যতম দূত, ফেরিওয়ালা, দেশে দেশে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে পরিচয় করিয়ে দিতে যে ক্রিকেটারের ভূমিকা সবচাইতে বেশী সেই সাকিব আল হাসান গতকাল কলম্বোতে যে কান্ড করেছেন তাতে আমি একজন বাংলাদেশী হিসেবে উনাকে শতভাগ সমর্থন দিচ্ছি কারন আমি বিশ্বাস করি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নোয়াবার দিন শেষ, চুপ করে থাকলে একের পর এক অন্যায় হতেই থাকবে আমাদের সাথে। সময় এখন প্রতিবাদ করার। ছোট বলে হেয় করার দিন আর নেই এখন। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবে অনেক অন্যায় হয়েছে আমাদের উপর। গতকাল ও যদি চুপ করে থাকতাম তাহলে হয়তবা আরো একবার প্রতিপক্ষ আমাদের অন্যায়ভাবে হারিয়ে সামনে এগিয়ে যেত কিন্তু কঠিন ভাষায় অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষ গতকাল কতটা ঘাবড়ে গিয়েছিল তা টিভিস্ক্রিনে আমরা সবাই দেখেছি। এখন সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা তুলে কড়া ভাষায় প্রতিবাদ করার। এমনভাবে প্রতিবাদ করার দরকার আছে। ভবিষ্যতে আম্পায়ারদের ব্যাক অব দ্য মাইন্ডে এটা অবশ্যই থাকবে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে তারা বাড়তি সতর্ক থাকবে। ফুটবল বিশ্বে রেফারিকে নিয়ে মন্তব্য করে সবচেয়ে বেশি জরিমানা গুণেছেন ফার্গুসন আর মরিনহো। আজকাল রেফারিরাও তাদের সমঝেও চলে। এখন বাংলাদেশকেও সমঝে চলতে হবে। কম অন্যায়ের শিকার তো হইনি!
 
একজন অধিনয়ায়ক সাকিব আল হাসানকে আমরা কখনোই সেভাবে মূল্যায়ন করতে পারিনি, তাঁর প্রতিভার যোগ্য স্বীকৃতি মেলেনি কখনোই। আমরা শুধু আমাদের দলের অর্জনটুকু দেখি, এর পিছে একেকজন খেলোয়াড়ের ঝরে যাওয়া ঘামের একটি বিন্দুও উপলব্ধি করতে পারিনি কখনোই। যদি করতাম তবে কখনোই আমরা আমাদের খেলোয়াড়দের কমিটমেন্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলতাম না। বাংলাদেশের যখন সাকিবকে প্রয়োজন হয় তখন তিনি ঠিকই সাকিব আল হাসান হয়েই মাঠে নামেন। আর সাকিবের যখন বাংলাদেশের একটু সমর্থন দরকার হয় আমরাতাঁকে শুধুই ক্রিটিসাইজ করেছি তাও কুরুচিপূর্ণ ভাবে। পান থেকে চুন খসতেই তাঁকে বিষোদ্গার করতে আমাদের বিন্দুমাত্র বাধেনি কখনও, বরাবরই এই মানুষটি যেন মিডিয়া আর কতৃপক্ষের সবচেয়ে বড় টার্গেট! যেমন গতকাল তার প্রতিবাদের কারন ছিলো আম্পায়ারের অন্যায়ের প্রতিবাদ, কিন্তু তারপরও ম্যাচ রেফারি কতৃক ম্যাচ ফি’র ২৫ শতাংশ জরিমানা ঠিকই গুনতে হয়েছে যেখানে মাঠে দায়িত্বরত ভুল করেও পার পেয়ে গেছেন। যদিও বাংলাদেশ দলের অসাধারণ এমন জয়ের জন্য এক কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। শনিবার বোর্ডের পক্ষ থেকে পুরস্কারের এই ঘোষণা দেয়া হয়।
.
সাকিব আল হাসান বাংলাদেশের ক্রিকেটের অনেক জয়ের নায়ক। অনেক সাফল্যের সফল রূপকার। বদলে যাওয়া এই বাংলাদেশ দলের এক শক্ত খুঁটি। সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট ও একদিনের সিরিজে ধবল ধোলাইয়ের আগে ও পরে অনেক জয় এসেছে সাকিবের হাত ধরে। একজন বড় ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন অনেক আগেই। এখন সময় সফল ও অপ্রতিরোধ্য অধিনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবার। ভারতের ক্রিকেট লিজেন্ড শচীন টেন্ডুলকর টেস্ট ও ওয়ানডের অসংখ্য রেকর্ড নিজের থলিতে পুরলেও বিশ্বকাপটা ছুঁতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ২০১১ বিশ্বকাপে শচীনের সে অপূর্ণতা ঘুঁচে যায়। ঠিক তেমনি আমিও বিশ্বাস করি এই সাকিবের হাত ধরেই বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপের ট্রফিটাও জয় করবে। সাকিবই সেটা পারবে। আর সে দিনটাও হয়ত বেশি দূরে নয়।
আর সবাইকে মনে রাখতে হবে ক্রিকেটের মোড়লদের নানান অন্যায়ে আমরা যখন চুপ করে ছিলাম তখন বাংলাদেশ ক্রিকেট জগতে নতুন রক্ষাকবচ সংযোজন হয়েছে। বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ দলের দ্বাদশ খেলোয়াড় হচ্ছে ১৬ কোটি বাঙালি। আর এই ১৬ কোটি বাঙালির ভালোবাসার আবেগে “সাহস আর অন্যায়ের প্রতিবাদ” নামে এই দুই রক্ষাকবচ সংযোজন হয়েছে বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনাময় টাইগারবাহিনীর বুকে।
 .
আজ বাংলাদেশ শুধু ভালো খেলছেই না, বড় বড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করেও আয়োজক হিসেবে সাফল্য দেখিয়েছে। আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের দর্শকরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের দর্শকের চেয়ে খেলাঅন্তপ্রাণ। ক্রিকেট বিশ্ব তাই বাংলাদেশকে উপেক্ষা করতে পারে না কিছুতেই।  আজ ক্রিকেট বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই, নিয়ম অনুযায়ী কোনো সিদ্ধান্ত হয়ে থাকলে সেটি নিয়ে আমাদের কোনো কথা নেই। কিন্তু এর বাইরে অক্রিকেটীয় কিছু হলে আপত্তি সেখানেই। বাংলাদেশের ক্রিকেটার, ক্রিকেট কতৃপক্ষ ও ক্রিকেটপ্রেমী জনগন এখন এসকল ব্যাপারে আরো বেশী সতর্ক।
 .
স্বাধীনতাত্তর বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হচ্ছে আমাদের “সাকিব আল হাসান”। সারা বিশ্বে একজনই সাকিব আল হাসান। তিনি আমাদের গর্ব, তিনি লালসবুজের অহংকার। জয়তু ক্রিক্কেট বিশ্বের ১নম্বর অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।





Related News

Comments are Closed