Main Menu

জগন্নাথপুরে বর্ধিত সময়ে বেরী বাধেঁর কাজ শেষ না হওয়ায় নিবার্হী অফিসার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান

জগন্নাথপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নলুয়ার হাওরে চারটি পিআইসির কাজ বর্ধিত সময়েও শেষ না করায় এবং আতœীয়করন করায় চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার উপজেলা নিবার্হী কমকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে স্থানীয় কৃষকরা। স্থানীয় কৃষক জাহাঙ্গির আলম,ফখরুল ইসলাম,সাবেল,আব্দুল মন্নান,আব্দুস সালাম,মুক্তার মিয়,সুজন সহ ২৬জন কৃষক স্মারকলিপি প্রদান করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নলুয়ার হাওরের বেষ্টিত চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ মিয়া তার নিজ নামিয় প্রকল্প নং ১০৮, তার আপন ভাগনা মিলন মিয়া প্রকল্প নং ২৯, ভাতিজা মিজানুর রহমান প্রকল্প নং ২৮,আরেক ভাতিজা রইছ উদ্দিন প্রকল্প নং ১৭ এর চারটি প্রকল্পে এখন পর্যন্ত কোন কাজ শুরু হয়নি।সময় ক্ষেপন করে সরকারের বরাদ্ধকৃত টাকা আতœসাতের চেষ্টা করিতেছেন। প্রকল্প গুলোর কাজ যথা সময়ে শেষ না হওয়ায় নলুয়ার হাওরের বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয় কৃষকগন। গত দুই বছর ধরে ফসল হারিয়ে অত্র এলাকার কৃষকরা সীমাহীন কষ্টে দিন যাপন করছেন।বেরী জামে মসজিদ থেকে গোপরাপুরের নদী পর্যন্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান ও মিলন মিয়া এখনও কোন কাজ শুরু করেননি ফলে পুরো নলুয়ার হাওর অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে । একই ভাবে ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়ার প্রকল্প বেরী থেকে নোয়াখালী বাধঁ পর্যন্ত বেরী বাধেঁ নাম মাত্র কাজ করে টাকা আতœসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জানতে ইউপি সদস্য জুয়েল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, স্মারকলিপির ব্যাপারের আমার কিছু আসে যায় না। আমার চারটা পিআইসির কাজ আরো এক সাপ্তাহ আগে শেষ হয়েছে। কৃষকের কথায় কি হবে? আমাকে যে বা যারা কাজ দিয়েছে তারা দেখবে। ম্যাজারমেন্ট অনুযায়ী কাজ শেষ করেছি। এ ব্যাপারে জানতে চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরশ মিয়ার সাথে মুঠোফোন নাম্বার ০১৭৪৫ ৭১৩৬৭৫ এ রাত ৮ ঘটিকায় যোগাযোগ করা হলে মুঠো ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।






Related News

Comments are Closed