Main Menu

ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষঃ ডুয়েট বন্ধ ঘোষণা

ডেইলি বিডি নিউজঃ ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) হলের সিট নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের পর অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের সন্ধা ৬টার মধ্যে এবং ছাত্রীদের আগামীকাল সকাল ৮টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে। ডুয়েটের সহকারী পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) কামরুন নাহার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সংঘর্ষের পর ক্যাস্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে ডুয়েটের ড. কুদরত-ই-খুদা হলে এ সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত আট শিক্ষার্থী আহত হয়। এদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র চঞ্চল কুমার ও ইইই বিভাগের একই বর্ষের ছাত্র মাসুদ রানাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং চতুর্থ বর্ষের ছাত্র দেবজিৎ চন্দ্র আকাশ, একই বর্ষের ছাত্র রাকিব হোসেন লিংকন, জুয়েল বিশ্বাস, সফিকুর রহমান ও সোলায়মান এবং ইইই’র ছাত্র গিয়াস উদ্দিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও ডুয়েট ছাত্র সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে ড. কুদরত-ই- খুদা হলের সিটে ছাত্র উঠানো নিয়ে ডুয়েট শাখার সভাপতি নাসির উদ্দিন গ্রুপ ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাতুল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

ছাত্রলীগের ডুয়েট শাখার সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন জানান, ডুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রাতুল ও তার লোকজন দুইদিন আগে ছাত্রশিবিরের এক কর্মীকে ড. কুদরত-ই-খুদা হলে ওঠায়। এ বিষয়ে সভাপতি সমর্থক কয়েক শিক্ষার্থী সোমবার বিকেলে ওই হলে গিয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে সাধারণ সম্পাদকের কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক রাতুল জানান,  ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রোনিক্স (ইইই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রুহুল আমিন ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। মিথ্যা অজুহাত তুলে তার কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, চঞ্চল ও মাসুদ রানার মাথায় ইনজুরি রয়েছে। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

জয়দেবপুর থানার ওসি মো. রেজাউল হাসান রেজা জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।






Related News

Comments are Closed