Main Menu

নূর হোসেন ও তার স্ত্রীর সম্পদ যাচাইয়ে টিম গঠন

ডেইলি বিডি নিউজঃ নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন ও তার স্ত্রী রোমা হোসেনের সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ে অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের উপপরিচালক মো. জুলফিকার আলীর নেতৃত্ব ওই অনুসন্ধান টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের অপর সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক শফিউল্লাহ।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে কমিশন থেকে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে দুদক সূত্রে জানা যায়, দুদক টিম নূর হোসেন ও তার স্ত্রী মোসা. রোমা হোসেন দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণী যাচই-বাছাই করবেন। সম্পদের কোনো তথ্য গোপন করলে অথবা বিবরণীতে দেওয়া তথ্যের বাইরে কোনো সম্পদ পেলে কমিশনের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করবেন।

এর আগে গত ১৩ ডিসেম্বর কারাকর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুদকের সচিব আবু মো. মোস্তফা কামালের কাছে সম্পদের হিসাব জমা দেন নূর হোসেন। যেখানে নূর হোসেন ১ কোটি ৭৮ লাখ টাকার সম্পদ দেখিয়েছেন বলে দুদক সূত্রে জানা যায়।

২০১৪ সালের ১৯ মে অনুসন্ধান শুরু করার পর নূর হোসেনের নামে-বেনামে প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় সংস্থাটি। তারপরও কোনো ধরনের মামলা করা হয়নি। যদিও দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা মামলার সুপারিশ করে কমিশনে অগ্রগতি অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দিয়েছিল। কিন্তু কমিশন থেকে অনুমতি মেলেনি।

দুদকের অনুসন্ধান সূত্রে জানা যায়, দুদকের অনুসন্ধানে নূর হোসেনের মোট ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জে পাঁচতলা একটি বাড়ি এবং নূর হোসেন ও তার সন্তানদের নামে নারায়ণগঞ্জ-চিটাগাং রুটে চলাচলকারী এবিএস পরিবহনের লাক্সারি ৩০টি বাস পাওয়া গেছে। এসব গাড়ি নারায়ণগঞ্জ থেকে চিটাগাং রোডে চলাচল করলেও এখন বন্ধ রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে ওই সব সম্পদের বৈধ কোনো উৎস পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে নূর হোসেনের আয়কর ফাইল অনুসারে তার মোট আয় দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭ লাখ টাকা। যেখানে আয়ের উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে বিভিন্ন জলাশয়ে মাছ চাষ। তবে আয়কর ফাইলে কোথাও তার বাড়ি কিংবা বাসের কথাটি উল্লেখ নেই।

১৯৮৫ সালের ট্রাক হেলপার নূর হোসেন ১৯৮৭ সালে ট্রাক ড্রাইভার। ১৯৯১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। ২০১২ সালে নারায়নগঞ্জ সিটির কাউন্সিলর হন। ২০১৪ সালের এপ্রিলে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলামসহ সাতজন খুনের ঘটনার পর নূর হোসেন ভারতে পালিয়ে যান। চলতি বছরের ১২ নভেম্বর ভারত থেকে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার পর দুদকের অনুসন্ধানেও গতি আসে।






Related News

Comments are Closed