Main Menu

একজন আলম খান মুক্তি, সাধারণ হয়েও অসাধারণ যিনি

সুলতান আহমেদঃ সিলেট মহানগর যুবলীগের সংগ্রামী সভাপতির নামটা সমুজ্জ্বল অালম খান মুক্তি উনার পদচারণায়। যিনি সকল বাঁধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজো অব্দি গণ-মানুষের হৃদয়ে জায়াগা করে আছেন। বিভিন্ন সময়ের ক্রান্তিকালে, ররাজপথে আন্দোলনে, দূর্বার সংগ্রামে এবং দূর্যোগকালীন সময়ে সব সময় সবার আগের কাতারে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই নেতা। কখনো চিন্তা করেননি নিজের কথা, পরিবারের কথা কিংবা ভবিষ্যতের কথা। কখনো চিন্তা করেননি কখন যে তার বুক চিরে শত্রুর বুলেট-বোমা বিস্ফোরিত হয়ে তাকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলবে। নিজেকে শপে দিয়ে সবসময় ভেবেছেন গণ-মানুষের কল্যাণে ন্যায্য অধিকার আদায়ের ব্যাপারে। কখনো তিনি ভয় পেয়ে বিচলিত হয়ে পেছনে ফিরে আসেননি।

শুধু তাই নয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা বিনির্মাণ করতে গণমানুষের সাথে যে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন। তারই ধারাবাহিকতা ধরে জননেত্রীর একজন বিশ্বস্ত ও কর্মঠ কর্মী জনাব আলম খান মুক্তি নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন অত্যন্ত সূক্ষ্ম মেধার সাথে, দক্ষতার সাথে, সাফল্যের সাথে। গণমানুষের হৃদয়ের স্থান করে নিয়েছেন তার চলাফেরা, আচার ব্যবহারের মাধ্যমে, অংশীদার রাখছেন। কারণ দেশ আর দেশের মানুষের বাইরে আর কিছু নেই তার।

সোনার বাংলা বিনির্মাণে অন্যায় অবিচারের প্রতিবাদ করার রক্ত বইছে অালম খান মুক্তি উনার ধমনীতে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে করতে মানুষের রক্তে রন্ধ্রে মিশে গিয়েছেন গণমানুষের এই নেতা। কেননা যতবারই ঝড়-তুফান, সাইক্লোন, মহামারী, দুর্যোগ এসেছে নিজের জীবনের মায়া তোয়াক্কা না করে,সবার আগে মানুষের দুয়ারে দুয়ারে সাহায্য নিয়ে পৌঁছে গেছেন আলম খান মুক্তি।

চলমান করোনাকালে ভয়াবহ মহামারীর কারণে মানুষ যখন ঘরবন্দি রয়েছেন। ঠিক তখন কর্মজীবী, দিনমজুর মানুষরা কাজ না পেয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। বস্তির মানুষজন না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে লকডাউন থাকায় মানুষজন দিশেহারা হয়ে হয়ে আছে। চারদিকে যখন হাহাকার তখন অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন সিলেট মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি।

শুধু তাই নয়, তিনি সিলেট নগরীর সিএনজি ও ভ্যান চালকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছিলেন। এর আগেও অসহায়, দিনমজুর, কর্মহীন মানুষের পাশে তিনি রমজানের উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

নগরীর বিভিন্ন এলাকায় তিনি বিনামূল্যে সবজির হাট বসিয়ে অসহায়দের সাহায্যও করছেন। এভাবে তিনি প্রতিদিনই চষে বেড়ান পুরো নগরজুড়ে। যেখানেই অসহায়ের কান্না শুনেন সেখানেই খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেন। যাকে যেভাবে সাহায্য করা যায়, তাকে ঠিক সেভাবেই নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে একনিষ্ঠতার সাথে হাসিমুখে সাহায্য করে গেছেন গণমানুষের এই নেতা। সেকারণে গণমানুষের কাছে একটা বড় অংশের বিশ্বাস আর জনপ্রিয়তা পেয়েছেন গণমানুষের নেতা আলম খান মুক্তি।

আলম খান মুক্তি নামক মানুষটাকে মানুষ মন থেকে বিশ্বাস করে দলের যে কোন পদ ছাড়াই। যে জনপ্রিয়তা তিনি পদ পাওয়ার অনেক আগে থেকেই সিলেটের মানুষের প্রত্যেকের অন্তরের অন্তরস্থল থেকে যে ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন।

আলম খান মুক্তির মতো সহজ-সরল সাদামাটা মানুষ একদিন ইতিহাস হয়ে যায়, স্মৃতির পাতায় থেকে যায় যুগ থেকে যুগ, প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, ইতিহাসও তাই বলে।সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি পথে দুর্নীতিবাজদের দমন ছাড়া গত্যন্তর নেই এটা ধ্রুবতারার মতই সত্য। আর সে সত্যকে বাস্তব রূপ দিতে আলম খান মুক্তির দৃঢ়তাই একমাত্র ভরসার স্থল।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে অত্যন্ত মেধার সাথে এবং একনিষ্ঠতার সাথে দৃঢ় বলিয়ান হয়ে গণমানুষের ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন আলম খান মুক্তি। যা সিলেট নগরীর মানুষ প্রতিনিয়ত অনুধাবন করছে, করে যাচ্ছে। দিন যত পুরাবে মানুষের ততবেশী অনুধাবন অারও বাড়বে। কোন একদিন হয়তো বাঙালি জাতির হার না মানা এক অকুতোভয় সৈনিক এর গল্পে লেখা থাকবে আলম খান মুক্তি নাম।

জগতের নিয়মে মানুষ মরে যায়, কিন্তু ভালো মানুষেরা মরে যায় না। ভালো মানুষের কোন ক্ষয় নেই। তারা অমর হয়ে থাকে। কিন্তু তাদের ভালো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে, গণমানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে যায়। যা বেঁচে থাকে যুগ হতে যুগ, যার মুক্ত চর্চা করে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। ইতিহাস কখনো মরে না, বেঁচে থাকে বাংলা ভাষার প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে।

প্রিয় ভাই, আপনাকে নিয়ে অনেক কিছু লেখার ছিল, এটি সামান্য লেখার ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র, প্রিয় ব্যক্তিত্ব মুক্তি ভাইয়ের মতো ভালো মানুষ রাজনীতিতে আছে বলেই, আমার মতো সাদামাটা ঘরের ছেলেরা রাজনীতিতে যেতে সাহস পায়, মুক্তি ভাইয়ের মত মানুষকে দেখে দেশপ্রেমে মানুষ অারো উৎসাহ পায়। জনকল্যাণে কাজ করার প্রেরণা খুঁজে পায়।

মহান আল্লাহ তা’য়ালা আপনার দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন এই কামনা করি। আল্লাহ তা’য়ালা যেন আপনাকে বেশি করে মানুষের সেবা করার তৌফিক দান করেন। ভালো থাকবেন প্রিয় ভাই আমার হৃদয়ে। সকল মানুষের অন্তরে, হয়তোবা প্রকাশ হয়ে না হয় নিশ্চুপে নিরবে।

সুলতান আহমেদ
সিলেট মহানগর ছাত্রলীগ।






Related News

Comments are Closed