Main Menu

জগন্নাথপুরে সরকারি সেতু দিয়ে জনসাধারণ ও গবাদি পশু চলাচলে বাঁধা!

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সরকারি সেতু দিয়ে জনসাধারণ ও গবাদি পশু চলাচলে বাধা প্রদানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি সেতু দিয়ে লাশ নিয়ে কবরস্থানে যাওয়ার পথে বাঁধা প্রদান করার মতো ঘটনাও ঘটেছে। এ নিয়ে এক পক্ষে লোকজন সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে ৯ জুন একটি লিখিত অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে। অপর পক্ষের লোকজন ২১ জুন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন।

এলাকাবাসী ও অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের বড় মোহাম্মদপুর গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নলজুর নদীর নালী খালের ওপর কয়েক বছর আগে দুর্যোগ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের বাস্তবায়নে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩৬ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। এ সেতু দিয়ে বড় মোহাম্মদপুর, গোড়ারগাঁও,মোহাম্মদপুর,হেমেদপুর,পর্বাপুর গ্রামের লোকেরা চলাচল করতো সেতুটির পাশে যুক্তরাজ্য প্রবাসী মুহিত মিয়ার বাড়ির পাশে হওয়ায় সেতু দিয়ে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল এমনকি গরু ছাগল চলাচলে মুহিত মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে প্রায়ই বাধা নিষেধ প্রদান করা হয়। এনিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বসে শালিশ বৈঠক। এতে মুহিত মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে আর সেতু দিয়ে চলাচলে বাধা নিষেধ প্রদান করা হবে না বলে গ্রামবাসীকে আশ্বাস করেন। সম্প্রতি প্রবাসী মুহিত মিয়ার পরিবারের লোকজন মৌখিক নিষেধ দিলে স্কুলে যাওয়া শিক্ষার্থী সহ যানবাহন জনসাধারণের চলাচল এমনকি গরু ছাগল চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে গ্রামের লোকেরা জমিতে চাষ করতে ও পারিবারিক কবর স্থানে যেতে ব্যবহার করতেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। এদিকে সেতুটি এলাকার বাসিন্দা আজাদ মিয়া কর্তৃক দখলে নিয়ে ষাঁড় গরু বেঁধে রাখার কারণে যাতায়াত সমস্যা নিয়ে ২১ জুন বড় মোহাম্মদপুর গ্রামের মৃত জমির আলীর ছেলে মিরাজ মিয়া সহ এলাকার লোকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দাখিল করেন।

এ বিষয়ে আজাদ আলী বলেন, সেতুর সংযোগ সড়কে প্রবাসীর পরিবারের লোকজন বাঁশ দিয়ে বেঁধে রেখে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। এ বিষয়টি জন্য প্রথমে আমরা জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দেই পরে উপজেলা ইউএনও বরাবরে অভিযোগ দেওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে অহেতুক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। গরুটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে বাইরে নিয়ে যেতে হয়। সেতুর উপর আমি গরু বেঁধে রাখিনি।

প্রবাসীর পক্ষের মিরাজ মিয়া অভিযোগ করে জানান, এলাকাবাসীর নিষেধ অমান্য করে সরকারি সেতু দিয়ে বিশাল আকৃতির গরুটি বেঁধে রেখে স্থানীয়দের যাতায়াত করতে দেওয়া হচ্ছে না। এজন্য বিষয়টি প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যা মোছা. হনুফা বেগম জানান, সেতু নিয়ে সমস্যা কথা আমাকে বলা হয়েছে। এ সেতু দিয়ে চলাচলে বাঁধা দেওয়া হয়েছে আমাকে মৌখিক ভাবে বলেছেন। আমরা চেষ্ট করতেছি সমাধান করার জন্য।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মাহফুজুল আলম মাসুমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সেতু নিয়ে দুই পক্ষের লোকজনের অভিযোগ পেয়েছি। স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বলা হয়েছে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য। উভয় পক্ষের লোকজন মিলিত না হলে আইন আনুক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##






Related News

Comments are Closed