Main Menu

গোয়াইনঘাটে হামলায় যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক, আসামিরা এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে

গোয়াইনঘাট সংবাদদাতা :: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৫নং আলীরগাঁও ইউনিয়নের বারহাল বাজারে প্রতিপক্ষের হামলায় পিতা ও পূত্র গুরুতর আহত। এরমধ্যে ছেলের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গত (১৩ জুন) দুপুরে উপজেলার বারহাল বাজারের পশ্চিম গলিতে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন ৫নং আলীরগাঁও ইউনিয়নের উজুহাত গ্রামের মৃত উমর অালীর ছেলে মঈন উদ্দিন ও তার ছেলে আব্দুল কুদ্দুছ (রাসেল)। গুরুতর আহত রাসেলের পেটের আঘাতের তীব্রতা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে মঈন উদ্দিনের অবস্থা একটু উন্নতি হলেও ছেলে মৃত্যু সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার মামলা (নং-১৩/ তারিখ- ১৮. ০৬ . ২০২০ ইং)।

মালামার আসামিরা হলেন, গোয়াইনঘাট থানাধীন বারহাল এলাকার খাস গ্রামের সামছুল হকের ছেলে সায়েদ আহমদ (২৮), ছয়ফুল ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম আলী (৩০) ও সিদ্দেক আলী (৩২), সরই মিয়ার ছেলে আব্দুল খালিক (৪৮), আজিজুল হকের ছেলে ইয়াছিন (২৫), ফয়জুল ইসলামের ছেলে নাইম উদ্দিন (২২)। তারা এখনো ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছেন। তারা বারহাল বাজারে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ঘুরাফেরা করছেন। তাদের এমন চলাফেরা দেখে মামলার বাদি মামলার বাদি জালাল উদ্দিন আতঙ্কে আছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উজুহাত গ্রামের মঈন উদ্দিন একই গ্রামের জালাল উদ্দিনের কাছ থেকে একটি ব্রিজের নিচ ইজারা নিয়ে মাছ চাষ করেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তিনি ওই স্থানে গত ১৩ জুন সেচ মেশিন দিয়ে পানি নিস্কান করে মাছ ধরার প্রস্তুতি নেন মইন ও তার ছেলে রাসেল।

এমতাবস্তায় বারহাল এলাকার খাস গ্রামের সরই মিয়ার ছেলে আব্দুল খালিক তাদের মাছ ধরার জন্য বাধা প্রদান করেন এবং বিষয়টি সমাধানের জন্য বারহাল বাজারের পশ্চিম গলিতে নিয়ে যান পিতা ও পূত্রকে। সেখানে যাওয়া মাত্রই তাদের উপর অর্তিকৃত হামলা শুরু হয়। এই হামলায় গুরুতর আহত হন মইন ও তার পূত্র। বর্তমানে তারা ওসমানী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন আছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার কোন আসামি এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।






Related News

Comments are Closed