Main Menu

ঝুঁকি নিয়ে ডুবে যাওয়া সেতু দিয়েই চলাচল

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ-বানিয়াচং আঞ্চলিক সড়কের কালারডুবা এলাকায় অবস্থিত সেতুটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা থেকে জেলা শহরে আসা বিপুল সংখ্যক মানুষকে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

এছাড়াও মালামাল নিয়ে ওই দুই উপজেলায় যেতে পারছে না কোন ধরণের যানবাহন। বিকল্প না থাকায় বিপদ জেনেও যাত্রীবাহী কিছু যানবাহন চলাচল করছে চরম ঝুঁকি নিয়ে। যেকোন এসময় ডুবন্ত সেতুটিতে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানায়, গত কয়েকদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে হবিগঞ্জের সবক’টি হাওরে পানি বেড়েই চলেছে। এমতাবস্থায় বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কের কালারডুবা এলাকায় মূল সেতুটি নতুন করে নির্মাণের কাজ চলায় বিকল্প যে সেতু স্থাপন করা হয়েছিল সেটি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। গত কয়েকদিন ধরেই সেতুর সমান উচ্চতায় পানি ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ধরণের ব্যবস্থা না নেওয়ায় মঙ্গলবার সেটি পানির নিচে তলিয়ে যায়।

চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে আসা রোগীর স্বজন আনিছুর রহমান জানান, তিনি এক আত্মীয়কে নিয়ে হবিগঞ্জ শহরে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। পথে কালারডুবা এলাকায় ব্রিজটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় তাদের অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। কোনো উপায় না পেয়ে রোগী নিয়ে হেঁটে ডুবন্ত ব্রিজটি পার হয়ে ফের গাড়ি নিয়ে শহরে আসতে হয়েছে।

ব্যবসায়ী রতন সরকার জানান, ব্রিজটি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় এখন জেলা শহর থেকে মালামাল নিয়ে যাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য।

অটোরিকশা চালক মুছা মিয়া জানান, বিকল্প পথ না থাকায় পানির নিচে তলিয়ে থাকা ব্রিজ দিয়েই যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আর এতে যে কোনসময় বড় ধরণের দুর্ঘটনা বা প্রাণহানিও হতে পারে।

হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সজিব আহমেদ জানান, কালারডুবায় যে সেতুটি তলিয়ে গেছে সেটি বিকল্প সেতু। মূল সেতু নির্মাণাধীন। সেজন্য কিভাবে বিকল্প সেতু দিয়েই যানবাহন চলাচল করতে পারে সেদিকটি বিবেচনায় রেখে কাজ করা হচ্ছে।






Related News

Comments are Closed