Main Menu

বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হওয়া এত সহজ নয়

এনামুল ইসলাম ঃঃ আমি রাজনীতির ক বুঝিনা তবে নেতা নামের আজব ব্যক্তিদের কাজ গুলোকে ভাল ভাবে অনুধাবন করতে পারি। আমি যখন ১৯৯৬ ইং তে আমাদের ছাতক দোয়ারা আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান (মানিক) কে বোমা মানিক আখ্যা দিয়ে সাজানো নাটক তৈরী করে জেলখানায় বন্দী রাখা হয়েছিল তখন থেকে আমি মানিক মুক্তি সংগ্রাম পরিষদের একজন শিশু অধিকার কর্মী হিসাবে মিছিল মিটিং করেছিলাম। চরচৌড়াই থেকে বর্তমান নাম আসাকাচর মাদ্রাসা নোকা ঘাট থেকে আমার শ্রদ্ধেয় নানা চার বারের চরমহল্লা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা কদর মিয়া নেতৃত্বে প্রতিবাদ সভার ও মিছিলের চানপুর সনুয়া গ্রামে সমাবেশ করা হয়েছিলো আমি আমার সিনিয়র ভাইদের সাথে সেলিম বখত মামা, সায়েম বখত মামা, শারজাহান ভাই সাথে ঐ সমাবেশ গুলোতে অংশ গ্রহন করেছিলাম। তখন থেকে রাজনী পথে হাঁটা। এমপি মুহিবুর রহমান মানিক ছিলেন জনতার নেতা। কোন দল কে করেন কার বয়স কি এটা দেখতেন না। আমি ছোট বেলায় দেখেছি কৃষকের হাতে হাত মিলাইতেন রাস্তায় ফেরিওয়ালা দের সাথে হাত মিলাইতেন,কোন গরীব মানুষ কে পেলে বুক মিলাইতেন। তিনি ছাতক দোয়ারা গণমানুষের নেতা এখনও সমাদ্রিত। উনি নির্যাতিত নেতা হিসাবে পরিচিত ছিলেন গণ মানুষের সাথে। উনার সমুধুর কণ্ঠস্বর বক্তৃতা মানুষের হ্রদয়কে নাড়া দেয়। আমি উনার বক্তব্যের মাঝে বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতার মিল খোঁজে পাই। চোখ বন্ধ করে মনোযোগ দিয়ে শুনলে মনে হয় বঙ্গবন্ধুর বক্তৃতা কে যেনও আবৃত্তি করছেন। মানুষের কাছে তিনি যেতে পারছেন বলে আজও শত বাধা পেরিয়ে তিনি এমপি আছেন।

আমি বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসাবে নিজেকে তুলে ধরতে চেয়েছিলাম রাজপথে।সেই ছাত্র কলেজ রাজনীতিতে
কলেজ জীবনে গিয়ে দেখলাম বাংলাদেশ ছাত্র লীগ জাউয়া বাজার কলেজে নেতৃত্ব দিচ্ছেন যারা ছাত্র নয় তারা। আমি নিজেকে আর রাজনীতিতে না জড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলাম।

তারপর কলেজে ক্ষুদ্র বিষয়কে কেন্দ্র করে অনেকে বড় সমস্যা হল। সে বিষয়কে আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলাম মাত্র। যাক আমি তখন রোভারিং কাজে সম্পৃক্ততা হয়ে কাজ করলাম।

তারপর ২০১২ দিকে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ দিলে পুলিশে যোগদান করি। রাজনীতির মাঠে আমি না থাকলে ও বঙ্গবন্ধুর প্রতি সম্মান ও কাজ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে পুলিশ অফিসার হিসাবে জনগনের সাথে ২৪ ঘন্টা মানুষের কাজ গুলো করতে পারি।এর চেয়ে বড় চাওয়া আর কি হতে পারে। আমি সব সময় ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে পছন্দ করি।কোন অন্যায় অবিচার দেখলে শক্ত হাতে ধমন করি। সাদা কে সাদা আর কালো কে কালো বলি।এটি আমার মুলনীতি। কোন ব্যক্তি ও দলের ছামসামি পছন্দ করি না। বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন অকুতোভয় ও সর্বদলীয় নেতা সারা বিশ্বে তাকে এক নামই ছিনতেন। তিনি বেঁচে থাকলে হয়ত দেশটি আরও অনেক আগে মধ্য আয়ের দেশে প্রতিষ্ঠিত থাকতো।আজ আমরা সারা বিশ্বের কাছে অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক,ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারতাম। বেইমান ও বিশ্বাসঘাতকদের জন্য এই দেশ পিছিয়ে গেল ১৯৭৫ ইং ৮ আগষ্টের রাতে।তছনছ করে দিলো জাতির ইতিহাস। এই ঘৃণ্য কাজের জড়িত দের ফাসি হওয়ায় জাতি কংলংক্ষ মুক্ত কিছুটা হতে পেরেছে।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কিছু বলতে গেলে
প্রথমেই দেখবেন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলে পত্রিকা ও ব্যানারে বিল বোর্ড নাম দিয়ে শিল্পপতি ও কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছেন। অনেক সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী আলিশান বাড়ী গাড়ী দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছেন।এদের মুল কারন হচ্ছে এরা দল করে। একজন নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ক্যাসোনো সাম্রাজ্যের সকল আদিপত্য ধ্বংস করে দিছেন। কিছু লোক আছে যারা মুখে বলে এক কথা বাস্ববে অন্যরকম কাজ করে এরোকম লোক কে ছাটাই করা দরকার।এসব কথা গুলো বলার এজন্য বললাম আমি নাকি সামান্য পুলিশ রেংক নাকি খুব ছোট। আমি নাম বলবো না ঐ সাংবাদিক এর তবে সে ফেইসবুকে আমার বন্ধু লিস্টে আছে। কেউ নামটি বলার জন্য কোন কমেন্ট করবেন না। আমি বলতে পারবো না।
আমার বুকে অসীম সাহস,মনে আছে তেজ শক্তি। আমি সত্য ও ন্যায়ের সৈনিক আমিই গর্বিত বাংলাদেশ পুলিশ। আমি গর্বিত বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। খোদা -হাফেজ।

লেখক
এনামুল ইসলাম
নায়েক, সিলেট জেলা পুলিশ।






Related News

Comments are Closed