Main Menu

মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের চরম উদাসীনতায় সড়ক জুড়ে এখন মরণ ফাঁদ

বিশেষ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ন রাস্থা গুলোর বেহাল অবস্থা। সড়কজুড়ে ছোট-বড় বহু গর্ত। প্রায় সবক’টি রাস্থার অবস্থা এখন বেহাল। যেখানে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। অনেক জায়গায় সংস্কার কাজের জন্য খুড়াখুড়ির জন্য এবং কোথাও কোথাও বিটুমিনের আ¯-রণ উঠে বেরিয়ে এসেছে পাথর। এসব ভাঙাচোরা রাস্থা দিয়ে ভারী যানবাহন চলায় খানাখন্দ আরও বাড়ছে। ফলে এসব রাস্থায় চলতে গিয়ে প্রায় সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে জেলাবাসীকে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এর দায়িত্বশীলরা গোপনে নিজস্ব ঠিকাদার দ্বারা আর্থিক লেনদেন এর মাধ্যমে নিম্ন মানের কাজ করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। একটা গর্ত থেকে বাঁচতে গেলে আরেক গর্তে রিকশা-গাড়ির চাকা পড়ছে। ঘটছে দুর্ঘটনায় অঙ্গহানীসহ এমনকি প্রাণহানীর মতো ঘটনা। বেশ কয়েক বছর ধরেই এ অবস্থা শহররে ব্যস্ততম এম সাইফুর রহমান সড়কটির (সাবেক সেন্ট্রাল রোড)। মৌলভীবাজার- সিলেট মহা সড়কের ব্যস্থতম বড়হাটের মধ্যেকানের অবস্থা খুবই খারাপ। গত ২০১৮ সালে বন্যায় ভেঙ্গে যাওয়ার পর কয়েকবার নামকাস্থে সংস্কারের নামে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে টাকা। কিন্তুু সংস্কারের পরই আবারো সেই আগের অবস্থা। যার ফলে যানযট লেগে’ই রয়েছে এবং ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে সাধারণ যাত্রী সহ গাড়ির চালকেরা। গর্তের মধ্যে পড়ে অনেক গাড়ি নষ্টও হয়ে যাচ্ছে। সড়ক দিয়ে রিকশা, সিএনজিসহ অন্যান্য যানবাহন চালাতে গিয়ে চালকেরা হিমশিম খাচ্ছেন। এই সব জায়গায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সর্বশেষ গত ২২নভেম্বর সন্ধায় পুলশি লাইনের পাশে গুমড়া এলাকায় ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে মৌলভীবাজার পল­ী বিদ্যৎ সমিতির জেনারেল ম্যানাজারকে বহনকারী জীপ (মৌলভীবাজার-ঘ ১১-০০০৩২) গাড়ীর চালকসহ খাঁদে পড়েন। খবর পেয়ে মৌলভীবাজার ফয়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেন।স্থনীয় লোকজন জানান,ওই এলাকায় প্রায়ই সড়ক র্দূঘটনার ঘটনা ঘটে। সড়ক ও জনপথ বিভাগকে দ্বায়ী করে বলনে- কিছুদিন আগেও সড়ক মেরামত করা হয়েছে। রাস্থার পাশে মাটি ভরাট করা হয়নি। র্দূঘটনা স্থল ছাড়াও আশে পাশে এ ধরনরে ঝুকিপূর্ণ স্থান আরও অনেক রয়েছে। কখন যে এসব দূর্ঘটনা ভয়াবহ রুপ নিতে পারে তা নিয়ে আতঙ্কে স্থানীয়রা। আর ব”ষ্টি দিলে গর্তের মধ্যে পানি জমে গেলে এখানে গর্ত আছে কি না গর্তের গভীরতা কতোটুকু বোঝাই যায় না,যার ফলে অনেক সময় ছোট গাড়ি গুলো উল্টে পড়েও যায়। এই সড়ক হচ্ছে শহরের অতি ব্যস্থতম সড়ক, এই সব রা¯-া দিয়ে মানুষ শহরে আসা যাওয়া করে। একাধিক পথচারী জানান- এই রাস্তা গুলো দিয়ে আমরা প্রতিনিয়ত যাওয়া আসা করতে হয়। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ চলা ফেরা করতে অনেক সমস্যা দেখা দেয়। ব্যস্ততম রাস্তা গুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেন মেরামত করা হয়। সড়ক বিভাগের এ উদাসিনতা ও খামখেয়ালীপনা এবং হরিলুঠ নিয়ে মৌলভীবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে একাধিকবার গতকাল বুধবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। মৌলভীবাজার পল­ী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিয়াউর রহমান জানান- একটি দ্রুতগামী ট্রাক তার জীপ গাড়ীকে চাপা দেয়। এ সময় জীপ গাড়ী চালক গতি কমিয়ে রাস্তার বাম পাশে সরাতে গেলে সড়কের ভাঙ্গা অংশে পড়ে এ র্দূঘটনা ঘটে। অত অবস্থায় রা পাওয়ায় তিনি মহান আল­াহর কাছে শুকরয়িা জানান।






Related News

Comments are Closed