Main Menu

লন্ডন প্রবাসীদের করোনা রিপোর্ট ভুলঃ সীমান্তীক ল্যাবের কার্যক্রম বন্ধ

ডেইলি বিডি নিউজঃ বৃটেন প্রবাসীদের করোনা রিপোর্ট সঠিক না আসায় আপাতত বেসরকারি সংস্থা সীমান্তীকের পিসিআর ল্যাবে প্রবাসীদের টেস্ট কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। তার পরিবর্তে পরীক্ষা করা হচ্ছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন- সীমান্তীকের ল্যাবের রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সীমান্তীকের ল্যাবে কেন এমন হচ্ছে? আইইডিসিআর’র কর্মকর্তারা সেটি খতিয়ে দেখছেন। এদিকে- আইইডিসিআর’র ল্যাবে ২৫ বৃটেন ফেরত প্রবাসীর রিপোর্ট ফের নেগেটিভ আসায় বুধবার মধ্যরাতের দিকে শহরতলীর খাদিমনগর হাসপাতালের আইসোলেশনে থাকা প্রবাসীদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ নিশ্চিত হয়েছে- ওই ২৫ প্রবাসী করোনা আক্রান্ত নন। গত ২১শে জানুয়ারি লন্ডন থেকে করোনা সার্টিফিকেট নিয়েই বিমানের একটি ফ্লাইটে সিলেট এসেছিলেন ১৫৭ জন প্রবাসী। চারদিনের কোয়ারেন্টিন শেষে গত রোববার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য বেসরকারি সংস্থা সীমান্তীকের ল্যাবে পাঠানো হয়।

পরদিন ল্যাব রিপোর্টে জানা যায়, ২৮ বৃটেন প্রবাসী করোনা আক্রান্ত। ফলে তাদের নিয়ে হুলস্থুল শুরু হয় সিলেটে। স্বাস্থ্য বিভাগের তরফ থেকে তাদের সোমবারই পাঠিয়ে দেয়া হয় সরকারি আইসোলেশন সেন্টার খাদিমনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। আইসোলেশনে যাওয়ার আগে প্রবাসীরা দাবি করেছিলেন- তাদের কোনো উপসর্গ নেই। তারা করোনা আক্রান্ত নন। সংশ্লিষ্টরা তাদের সেই দাবি আমলে নেননি। তবে- মঙ্গলবার ‘পজেটিভ’ হওয়া প্রবাসীদের নমুনা আরেক দফা সংগ্রহ করে পুনরায় পরীক্ষার জন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পাঠানো হয়।

পরে সেই ল্যাবের রিপোর্টে আসে ২৫ প্রবাসী নেগেটিভ। এ নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও বিব্রত হয়ে পড়েন। এর মধ্যে আইইডিসিআর’র ৭ সদস্যের একটি টিম সিলেট আসে। তারা বুধবার প্রবাসীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার ল্যাবে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর আসে ২৫ প্রবাসী নেগেটিভ ও তিনজন পজেটিভ। সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা মধ্যরাতের দিকে খাদিমপাড়া হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকা ২৫ প্রবাসীকে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেটের সহকারী পরিচালক ডা. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন- যে ২৫ জন প্রবাসীর রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে তাদের রাতেই বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়। পজেটিভ হওয়া তিনজনকে রাখা হয়েছে আইসোলেশন সেন্টারে। তারা বৃটেনে চলমান নতুন স্ট্রেইনের করোনা বহন করছেন কী না- সেটি ল্যাব রিপোর্টে জানা যাবে। এতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।

সিলেটে এলেন আরো ১৫০ জন যাত্রী: লন্ডন থেকে সিলেটে এসেছেন আরো ১৫০ জন যাত্রী। গতকাল দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তারা সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন।

এরপর চারদিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে তাদের হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) আশরাফ উল্যাহ তাহের জানিয়েছেন- দেশে আসা প্রবাসীদের মধ্যে হোটেল ব্রিটেনিয়ায় ৩৮, হোটেল অনুরাগে ১৯, হোটেল নূরজাহানে ১৬, হোটেল হলিগেটে ৩৪, হোটেল হলি সাইডে ১২, লা রোজে ১৮, স্টার প্যাসিফিক হোটেলে ১৩ জনকে নেয়া হয়েছে। সূত্র:মানবজমিন






Related News

Comments are Closed