Main Menu

ছাত্রলীগের কমিটি : জেলা ও মহানগরে ৬ গ্রুপ থেকে নাম রয়েছে যাদের

ডেইলি বিডি নিউজঃ সোনালী একটি অধ্যায় ছিল সিলেট ছাত্রলীগের। আন্দোলন-সংগ্রামে সিলেটের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে বারবার। সিলেটের ছাত্র আন্দোলনের সেই সব ছাত্রনেতারা এখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতীয় পর্যায়ে। জাতির পিতার আদর্শিক চেতনায় বিশ্বস্থ সিপাহশালার হিসেবে জেল-জুলুম ও নির্যতন ভয়কে পিছু ফেলে মাঠের রাজনীতিতে সরব ছিল এই সংগঠন। এখন আর সেই দিন নেই। অপবাদের বোঝা, কেলেঙ্কারী, খুন, ধর্ষণসহ নানা অপকর্মের সাথে যুক্ত হয়েছে এই সংগঠনের নাম। পরিণাম হিসেবে তিরস্কৃত হয়েছে এই সংগঠন। বিলুপ্ত করা হয়েছে জেলা ও মহানগর কমিটি। এর ফলে সাংগঠনিকভাবে ঝিমিয়ে পড়ে সিলেট ছাত্রলীগ।

অবশ্য এবার সেই অবস্থার পূণরাবৃত্তি চায়না সিলেটের ছাত্রলীগ। কমিটিতে ত্যাগী এবং মেধাবীদের যুক্ত করার দাবি অধিকাংশ কর্মীর। এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সিলেট আসছেন ১৩ মার্চ শনিবার। সাংগঠনিক সফর শেষেই প্রকাশ হচ্ছে জেলা ও মহানগরের প্রত্যাশিত কমিটি। এমনটি জানিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় একটি সুত্র।

এখন সুখবর প্রত্যাশায় উন্মুখ সিলেট ছাত্রলীগ। কমিটিহীন সিলেট ছাত্রলীগে এখন জোয়ার বইছে আনন্দের। দীর্ঘদিন পর অবসান হচ্ছে প্রতিক্ষার। জানাগেছে সিলেটে সংগঠনের ৬ টি গ্রুপ সমন্বয় করেই উপহার দেওয়া হবে নতুন কমিটি। কমিটির গ্রুপগুলো হচ্ছে, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চেšধুরীর নেতৃত্বে সুরমা গ্রুপ,শফিউল আলম চৌধুরীর নেতৃত্বে দর্শণদেউরী গ্রুপ, এডভোকেট নাসির উদ্দিন খানের নেতৃত্বে তেলিহাওর গ্রুপ, বিধান সাহার নেতৃত্বে কাশ্মির গ্রুপ, টিলাগড়ের আজাদ ও রনজিত গ্রুপ।

বিতর্কিতরা কমিটিতে স্থান পাচ্ছেন না-এমনটি বলা হলেও গ্রুপ সমন্বয়ের ক্ষেত্রে এই দাগ কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনের কিছু নতুন মুখ। আর ত্যাগী নেতাকর্মীরা বলছেন, কারো হাতিয়ার হিসেবে ছাত্রলীগকে ব্যবহার করা হলে ফের বিতর্কের মুখে পড়বে সংগঠন। বারবার এমন ঘটনার পূণরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেদিকে দৃষ্টি রাখার দাবি এই অংশের।

অপবাদের বোঝা নিয়ে কমিটি বাতিলের প্রায় সাড়ে ৩ বছর হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৮ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এখনও সংগঠনের গ্রুপিং রয়েছে আগের মতোই। তবে, কমিটি না থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছন্দ হারিয়ে ফেলে সিলেট জেলা ছাত্রলীগ। এর প্রভাব পড়ে গোটা সিলেট অঞ্চলে। একই অবস্থা সংগঠনের মহানগর শাখায়। অভিযুক্ত হয়ে ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর মহানগর কমিটি বিলুপ্ত হলে দেড় বছর পরও নতুন কমিটি পায়নি মহানগর ছাত্রলীগ। উভয় কমিটি দীর্ঘদিন কমিটিহীন থাকায় সাংগঠনিক শক্তিতে খেই হারিয়ে ফেলে এই সংগঠন। এতে করে না সৃষ্টি হচ্ছে কর্মী, না আসছে নতুন নেতৃত্ব। সিলেট জেলা ও মহানগরে নতুন কমিটি দ্রুত সম্পন্নের তাগিদ ছিল। সিলেট এসে পদপ্রত্যাশীদের সিভিও গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। তারপর প্রস্তুত করা হয় জেলা ও মহানগরের পৃথক কমিটি। তবে অনিবার্য কারণে আলোর মুখ দেখেনি সেই কমিটি।

এবার নেতাকর্মীরা নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন। সূত্র জানায়, পদ প্রত্যাশীদের ম্যান টু ম্যান ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অতীতে দলে ভূমিকা, শৃঙ্খলা, পারিবারিক পরিচিতিসহ সার্বিক বিষয়ে তদন্ত হয়েছে। চলতি সফর শেষে কেন্দ্রিয় সংগঠন আরেক দফা অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট শেষে কমিটির নাম প্রকাশ করবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সূত্র।

সম্ভাব্য জেলা সভাপতি পদে নাম রয়েছে যাদের তারা হলেন নাসির গ্রুপ থেকে জাওয়াদ খান, সুরমা গ্রুপ থেকে মুহিবুর রহমান, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে নাজমুল ইসলাম, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে কনক পাল অরুপ, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে শরীফ আরাফাত নাজাত, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে অসীম কান্তি কর, আজাদ গ্রুপ থেকে প্রমথ তালুকদার, শফিক চৌধুরীর গ্রুপ থেকে বিপ্লব দাস, আজাদ গ্রুপ থেকে কাওছার আহমদ।

সম্ভাব্য জেলা সাধারণ সম্পাদক পদে নাম রয়েছে যাদের, তারা হলেন, আজাদ গ্রুপ থেকে ফারহান সাদিক, এম এস রুবেল, নাসির গ্রুপ থেকে এম আর মুহিব, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে নাজমুল ইসলাম রাহাত, রুবায়েল আহমেদ শাকিল, দেলোয়ার হোসেন রাহি, রনজিত গ্রুপ থেকে রাসেল আহমদ, নাসির গ্রুপ থেকে রাহেল সিরাজ,রনজিত গ্রুপ থেকে এ কে টুটুল।

মহানগর কমিটিতে সম্ভাব্য সভাপতি পদে সম্ভাব্য নাম হচ্ছে আসাদ গ্রুপ থেকে শাহ আলম শাওন, হোসাইন মোঃ সাগর, রঞ্জিত গ্রুপ থেকে সাদিকুর রহমান সাদিক, বিধান গ্রুপ থেকে সাদিকুর রহমান ও নাঈম আহমদ।

মহানগর কমিটির সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক পদে আজাদ গ্রুপ থেকে সাদেকুর রহমান চৌধুরী, নাদের গ্রুপ থেকে কিশোয়ার জাহান সৌরভ, আসাদ গ্রুপ থেকে ময়দুল ইসলাম রাহাত, বিধান গ্রুপ থেকে মাহমুদুল হাসান সানি,আসাদ গ্রুপ থেকে শাফায়াত খান ও নাদেল গ্রুপ থেকে সঞ্জয় পাশি জয়।






Related News

Comments are Closed