Main Menu

একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়ে চেয়ারম্যান পদে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক ফাহাদ চৌধুরী

কুলাউড়া প্রতিনিধি:: কুলাউড়া উপজেলার ৭নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি স্থানীয় প্রবীন রাজনীতিবিদ একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি আলহাজ্ব লুৎফুর রহমান চৌধুরী’র পুত্র এক সময়ের জনপ্রিয় ছাত্রলীগ নেতা প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী (ফাহাদ)।
২০০৬ সালে কুলাউড়া সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন ফাহাদ । সে-সময় বিএনপি-জামাতের নেতাকর্মীদের হাতে অনেক নির্যাতিত হয়েছেন। সেই নির্যাতনের আঘাতের চিহ্ন এখনও মাথার এক পাশে রয়েছে। তার পর ও নিজেকে গুটিয়ে নেননি তিনি। সত্যি কারের নেতা তো সেই যে শত আঘাতের পরও নিজের কথা না ভেবে অন্যের কথা ভেবে কাজ করে যাওয়া নিঃস্বার্থ ভাবে।

বর্তমানে কুলাউড়া উপজেলার ৭নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দল মত নির্বিশেষে সবাই এক মনে চাইছেন ইউনিয়নের উন্নয়ন যোগ্য, সৎ, ও সৃজনশীল চিন্তা ধারার উন্নত মনমানসিকতার ও উদার মনের অধিকারী প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী (ফাহাদ) হাল ধরার জন্য। যার পিতার কাছ থেকে এলাকার মানুষ সব সময় সহায়তা পেয়েছেন এবং সুখে দুঃখে মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তারই সুযোগ্য পুত্র বাবার দেখানো পথেই হেঁটে চলেছেন অবিরত। পরিবর্তনের হাওয়ায় মানুষ এখন অনেকটাই সচেতন তাই বর্তমান সময়ে মানুষ আজ কাল বুঝতে পারে কার ধারা জনগণ উপকৃত হবে।

একজন সুশিক্ষিত সুনাগরিকই সমাজের আমূল পরিবর্তন আনতে পারে বলে ইউনিয়নবাসী মনে করেন। দেশকে ও দেশের মানুষ কে এগিয়ে নিতে হলে অবশ্যই একজন সৃজনশীল চিন্তা ধারার উন্নত মন মানসিকতার মানুষের আজ বড়ই প্রয়োজন। একজন সুশিক্ষিত মানুষই পারেন বদলে দিতে সমাজ। ঘরের শত্রুর কাছে জিম্মি এই ইউনিয়নের মানুষ। দলের সিদ্ধান্তের বাহিরে গিয়ে বার বার দলের বিদ্রোহী প্রার্থীকে জয় করানো হয় নানা কৌশলে। এর ফলে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে কুলাউড়া সদর ইউনিয়ন। ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত না করায় বারবার অবহেলিত হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে হচ্ছে এ ইউনিয়নটি।

তবে বর্তমানে সবাই একত্রিত হয়ে এবার উন্নয়নের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে চান ইউনিয়নবাসী। ২০২১ সালের নির্বাচনে একজন সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন মানুষকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করবেন বলে আশাবাদী এলাকা বাসী। ইউনিয়নের বাসিন্দারা বলছেন- ক্লিন ইমেজের জন্য স্থানীয় মানুষের কাছে তুমুল জনপ্রিয় প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী। তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হওয়ার সুবাদে বিগতদিন অনেক উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড করেছেন। পাশাপাশি তিনি কৃষক চা-শ্রমিক-জনতার জন্য অনেক কাজ করে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত ছিলেন।

ইয়াকুব-তাজুল মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ইউনিয়নের উন্নয়নে বাবার পথ ধরেই দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছেন। করোনা ভাইরাসের মহামারির সময় যখন সব কিছু অচল অবস্থায় ছিল তখন প্রবাসে থেকেও তিনি এলাকার মানুষ ও আশপাশের মানুষের খোঁজ খবর নিয়মিত নিয়েছেন ও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন তাদের পাশে দাড়ানোর। এমন অনেক মহতী কাজ নিরবে নিবৃত্তে করেছেন বা এখানো করে যাচ্ছেন। সদা হাস্য উজ্জ্বল সদালাপী সাদা মনের মানুষটির কাছে কখনও কেউ কোন কারণে গেলে তাকে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হয়নি আজ পর্যন্ত। কিছু মানুষ এমন আছেন যারা সারাটি জীবন নিঃস্বার্থ ভাবে শুধুই অন্যের কথা ভেবে কাজ করে যান নিরলস ভাবে একটি বারও নিজের কথা না ভেবেই দিন রাত এক করে ছুটে চলেন এমনই একজন মানুষ হলেন প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দলমত নির্বিশেষে সব ধরনের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক ফাহাদ চৌধুরীর।

এলাকার মানুষের বিপদে আপদে ও এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকায় সবাই তাকে পছন্দ করেন। এলাকার মানুষই তাকে নির্বাচনে অংশ নিতে অনুরোধ করেছেন। ফলে সুষ্ঠু ভোট হলে তরুণ আত্বপ্রত্যয়ী সমাজ সেবক মানবতার সেবক সৃজনশীল মনের অধিকারী আফাজুর রহমান চৌধুরী বিজয়ী হবেন বলে বিশ্বাস করেন তারা।

ইউপি নির্বাচন নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রভাষক আফাজুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলাম। আমি নির্বাচিত হলে আমি সদর ইউনিয়নবাসীকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়ন উপহার দিতে চাই। তাছাড়া ইউনিয়নে অনেক সেবা আছে, যেগুলো স্থানীয় মানুষ জানেন না। ঠিকঠাক সেগুলো তাদের কাছে পৌঁছে দিলে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন। আমি সেই সেবা গুলো তাদের মাঝে পৌঁছে দিতে চাই। এবং ইউনিয়নে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। অবহেলিত মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা ইউনিয়ন কে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে সবার মাঝে উপহার দিতে চাই। সুবিধা বঞ্চিত অবহেলিত মানুষকে তার যথাযথ সম্মান ও তার নাগরিক অধিকার যথাযথ ভাবে তারা যেনো ভোগ করতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করতে চাই।

একটি উন্নত মানের ইউনিয়ন উপহার দিতে চাই যেখানে সকল পেশা জীবির মানুষ এক কাতারে দাড়িয়ে তাদের কথা বলতে পারে তাদের সুবিধা অসুবিধা গুলো সমাধানের জন্য দাঁড়ে দাঁড়ে যাতে না গিয়ে একটি জায়গায় সকল বিষয়ে সমাধান খুঁজে পায় এমনই একটি ইউনিয়ন উপহার দিতে আমি সকলের সর্বাত্তক সহযোগিতা কামনা করছি।






Related News

Comments are Closed