Main Menu

প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার নিয়ে আসলেন মৌলভীবাজারের ডিসি মীর নাহিদ আহসান

মোস্তাক চৌধুরীঃ সৈয়দা আফছারুন নেছা। করোনায় মারা যাবার এক মাস ১৭ দিন চলে গেল আজ। বিকেল সাড়ে চারটায় হঠাৎ করে তাঁদের বাড়িতে আসেন মৌলভীবাজারের স্বনামধন্য জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহস্ান। জেলা প্রশাসকের সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনার উপহার, আরও প্রশাসনিক লোকজন। এডিসি জেনারেল মল্লিকা দে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাগন। তারা সকলেই মরহুমার পরিবার পরিজনের প্রতি সহানুভূতি ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপহার নানা ধরণের ফলমূল ছাড়াও নগদ পাঁচ হাজার টাকা উপহার তুলে দেন সৈয়দা আফছারুন নেছার ছেলে বেলাল আহমদ রাজা, নোমান আহমদ রাজা ও মেয়ে লতিফা রাজা মনির হাতে।

জেলার প্রশাসনিক অভিভাবক হিসেবে মীর নাহিদ আহসান বেশ সুনাম অর্জন করেছেন সর্ব মহলে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধে প্রশাসন পরিচালনায় তিনি তাঁর অধস্তনদের পূর্ণ তৎপর রাখতে পেরেছেন। কখনো নিজে নেমে এসেছেন জনতার কাতারে। লক্ষ্য একটাই মৌলভীবাজার জেলার জনগণকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করা। মানুষের জন্য কাজ করেন নিবেদিত প্রাণ হৃদয়ে। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের লকডাউনে অসহায় হয়ে পড়া ছিন্নমূল ও প্রান্তিক মানুষের ঘরে ঘে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন।
অগ্রনী ব্যাংকের ব্যবস্হাপনা পরিচালক রাজনগরের গর্ব শামস্ উল ইসলাম কে অনুরোধ করে আবুল খায়ের শিল্প গ্রুপ কর্তৃক ৫২ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার এনে দিয়েছেন মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান অনেকের কাছে খ্যাতির সুনাম কুুড়িয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে। সৈয়দা আফছারুন নেছার শোকাহত পরিবারের মাঝে উপস্থিত হয়ে জেলা প্রশাসক গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং যে কোন সমস্যায় তাঁদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য যে সৈয়দা আফছারুন নেছা আমার শাশুরী মা। তিনি বয়োবৃদ্ধ জনিত অসুস্থতায় মার্চ মাসের শেষের দিকে সিলেট রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে ৮ দিন চিকিৎসা গ্রহণ করে বাড়ীতে চলে আসেন। রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজে থাকাবস্থায় তার করোনা টেষ্ঠ করা হলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে কিন্তু বাড়ীতে আসার কয়েকদিন পর হঠাৎ তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বাসায় অক্সিজেনের ব্যবস্হা করা হয়। ডাক্তার নিয়ে আসা হয়। কিন্তু কোন কিছুতেই তাঁর অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না। একান্ত বাধ্য হয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। দুই দিন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের আইসিইউতে থাকার পর ২৩ মার্চ আমাদের সকল চেষ্ঠা ব্যর্থ করে আমাদের ছেড়ে দুপুর ১২.২০ ঘটিকায় তিনি পরপারে চলে যান। তিনি হাসপাতালে থাকা অবস্থায় অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা হয়েছিল। তাঁর জানাজার নামাজের একটু পূর্বে আমার মোবাইলে একটি মেসেজ আসে যে তিনি করোনা পজিটিভ ছিলেন। খোদা যেন আমাদের মাকে জান্নাতের উঁচু মোকাম দান করেন।






Related News

Comments are Closed