Main Menu

আ’লীগের ভেতরের লোকেরাই আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেইলি বিডি নিউজঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওপর বার বার আঘাত এসেছে। সংগঠনকে ভাঙার চেষ্টা হয়েছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ, এই সংগঠন মাটি ও মানুষের থেকে উঠে এসেছে। এটা কোন ক্ষমতা দখল করে হাতে গড়া সংগঠন নয়। যে সংগঠন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে শেষ করে দেওয়া যায় না, হয়তো সাময়িক আঘাত আসে। আওয়ামী লীগের ওপর অনেকবার আঘাত এসছে। আওয়ামী লীগের ভেতরের লোকরাই তো আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।

বুধবার ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, মুসলিম লীগ সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করে এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে যে সংগঠন গড়ে ওঠে সেই সংগঠন এতো সহজে ধ্বংস করা যায় না।

তিনি বলেন, মওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, তিনিই তো সবার আগে আওয়ামী লীগ ভেঙে চেলে গেলেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি করতে। ঠিক এভাবে কতবার আওয়ামী লীগ ভেঙেছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১৯৮১ সালে যখন আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করা হল আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য। দুর্ভাগ্য যে আমি প্রবাসে থাকতে যাকে সব থেকে বেশি সংগঠনের জন্য সহযোগিতা করেছি, আমি ফিরে আসার পর তিনিই আমাকে ছেড়ে, আওয়ামী লীগ ছেড়ে চলে গেলেন আমাদের আব্দুর রাজ্জাক সাহেব। বার বার তাকে বললাম আপনার তো যাওয়ার দরকার নাই, আপনি থাকেন। সে পার্টির সেক্রেটারি। না সে পার্টি ভেঙে বাকশাল করল। এরপর আবার ড. কামাল হোসেন যাকে আমরা রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন করলাম। তার নাম ডাক হলো। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বলে তাকে প্রচার করলাম। আসলে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন তখন কি? তিনি তো বঙ্গবন্ধুর কেবিনেটের একজন মন্ত্রী ছিলেন মাত্র। আমাদের প্রচারের মাধ্যমে তাকে তুলে ধরলাম। যিনি ভালো করে বাংলায় কথাও বলতে পারতেন না। তিনি ১৯৯১ সালে পার্টি ভেঙে চলে গেলেন। আর একটা পার্টি বানাবার চেষ্টা করলেন। প্রথমে আওয়ামী লীগের একটা করতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে তারপর গণফোরাম করে চলে গেলেন।

তিনি বলেন, এদেশ থেকে আওয়ামী লীগের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ যখন সৃষ্টি হয়, মুসলিম লীগ ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছে। আইয়ুব খান যখন ক্ষমতায় এসেছে সেও আওয়ামী লীগ ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। ইয়াহিয়া খান সেও আওয়ামী লীগ ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে, কারণ তখন যে গণহত্যা করেছিল ১৯৭১ সালে সেটা সত্যিকার লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। ঠিক জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখল করে সেও আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। জেনারেল এরশাদও একই পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে। আর খালেদা জিয়া এসে তো আরও একধাপ উপরে।

তিনি বলেন, একটু খেয়াল করলেই দেখা যাবে ১৯৯১-৯৬ সাল আর ২০০১-২০০৬ কত মানুষকে তারা হত্যা করেছে। তাদের লক্ষ্য একটা আওয়ামী লীগকে শেষ করা। আবার যখন জরুরি অবস্থা দেওয়া হল তখন সবার আগে আমাকেই গ্রেফতার করা হল। অর্থাৎ আওয়ামী লীগের উপরই আক্রোশ। কেন? আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা এনেছে সেজন্য? আওয়ামী লীগের সৃষ্টি সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে।






Related News

Comments are Closed