Main Menu

কুলাউড়ায় প্রবাসীর বাড়ির প্রাচীর নির্মাণে বাধার অভিযোগ

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপ‌জেলার বরমচালে এক প্রবাসীর পরিবারের বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রভাব খাটিয়ে বাধা ও হুমকী দেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে প্রবাসী হবিব উল্ল্যাহ’র স্ত্রী লিলি বেগম কুলাউড়ায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা একই এলাকার পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা ফারুক মিয়া (৩৫),মিজান মিয়া (৩০),রহিম মিয়া (৪০),শাহিন মিয়া (৪০),জিবু মিয়া (৩৫)।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বরমচালের সিঙ্গুর ইউনিয়নের প্রবাসী হবিব উল্ল্যাহ ও তাঁর ভাইয়েরা ৫ বছর ধরে যৌথভাবে নতুন বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছেন। বিকল্প সড়ক থাকা সত্যেও সীমানা প্রাচীর না থাকায় এলাকার বাসিন্দা ফারুক মিয়া গংরা প্রবাসীর বাড়ির ওপর দিয়ে সহজে কৃষি জমিতে যাতায়াত করতেন। এতে প্রবাসীর পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সম্প্রতি বাড়ির চারপাশে দেয়াল নির্মাণ শুরু করেন। এতে ফারুক মিয়া গংরা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রবাসীর বাড়ির দেয়াল নির্মাণে বাধা দেন। তখন স্থানীয়ভাবে বৈঠকে বসে কৃষি জমিতে যাওয়ার জন্য গ্রামের পুরাতন বিকল্প সড়ক ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়।

প্রয়োজনে যাতায়াতের সুবিধার্থে ওই রাস্তার একটি ছড়ার ওপর কালভার্ট নির্মাণ করে দেওয়ার স্বদিচ্ছা প্রকাশ করেন ওই প্রবাসীর পরিবার। কিন্তু ফারুক মিয়া গংরা পরবর্তীতে প্রবাসীর পরিবারের কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। না দিলে কৃষিজমিতে বাধা বিঘ্ন অজুহাত দেখিয়ে প্রবাসীর বাড়ির দেয়াল নির্মাণ করতে দেওয়া হবেনা বলে হুমকি দেন।

প্রবাসীর স্ত্রী লিলি বেগম,ও ভাই হামিদ উল্ল্যাহ বলেন, বাড়ির সামনে দেয়াল নির্মাণ শেষে দক্ষিণ পাশে ছড়ার পার্শ্ববর্তী সীমানার মধ্যে প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করি। এ সময় ফারুক মিয়ারা সংঘবদ্ধ হয়ে আমাদের দেয়াল নির্মাণে বাধা দেয় এবং দা কোড়াল নিয়ে সীমানার ভিতরে থাকা বাঁশ ঝাড় থেকে বাঁশ কেটে ফেলেন। আমরা বাধা দিলে তাঁরা হুমকি প্রদান করেন ও বলেন ছাড়র পাশে দেয়াল নির্মাণ করতে পারবেনা। এদিক দিয়ে রাস্তা হবে।

তাঁরা আরো বলেন,এই জমি আমাদের ক্রয়কৃত এবং পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া। ছড়ার পার রেখে আমরা নিজস্ব জমিতে দেয়াল নির্মাণ করছি। প্রতিপক্ষের বাড়ি ছড়ার দক্ষিণ পাড়ে। তাঁরাই বাড়ি করেছেন ছড়ার পার দখল করে। উল্টো আমাদেরকে রাস্তার অজুহাত দেখিয়ে চাঁদা দাবি করছেন।

বিষয়টির তদন্ত কর্মকর্তা থানার এসআই ফখরুজ্জামান ও এএসআই সুজন অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,সরেজমিনে করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।






Related News

Comments are Closed