Main Menu

হাওরে নববধূকে গণধর্ষণ,আরো ৩ আসামির দায় স্বীকার

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের লাখাইর হাওরে স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে গণধর্ষণের মামলায় আরো তিন আসামি নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত আসামিরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে এ জবানবন্দি দেন।

তারা হলেন উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের পাতা মিয়ার ছেলে হৃদয় মিয়া,বকুল মিয়ার ছেলে সুজাত মিয়া, মিজান মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া।

এ ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেফতারকৃত ছয়জনের মধ্যে চারজন স্বীকারোক্তি দিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লাখাই থানার (ওসি) তদন্ত মহিউদ্দিন সুমন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিন আসামিকে গ্রেফতার করে র‌্যাব ও পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ৬ আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও দুই আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। এরই মধ্যে গ্রেফতারকৃত মিঠু মিয়াও আদালতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

গত ২৫ আগস্ট দুপুরে নব দম্পতি তাদের এক বন্ধুকে নিয়ে টিক্কাপুড়া হাওরে নৌকাভ্রমণে যায়। সেখানে আরেকটি নৌকা নিয়ে ৮ জন যুবক তাদের নৌকায় হানা দেয়। দুই বন্ধুকে মারধর করে নববধূকে তারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে তাদের নগ্ন করে ভিডিও ধারণ করেন তারা। নগ্ন ছবি ও ভিডিও দেখিয়ে ৯ লাখ টাকা দাবি করেন তারা। টাকা না পাওয়ায় ভিডিওটি এলাকার কয়েকজনের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার নববধূর স্বামী আটজনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলা করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা রেকর্ড করতে লাখাই থানার ওসিকে নির্দেশ দেয়।

মামলার আসামিরা হলেন,মোড়াকড়ি গ্রামের মুছা মিয়া, মিঠু মিয়া,হৃদয় মিয়া,সুজাত মিয়া,জুয়েল মিয়া, সোলায়মান রনি,মুছা মিয়া ও শুভ মিয়া।

ওই দিনই মিঠু মিয়া,সোলায়মান রনি ও শুভ মিয়াকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনি।

সর্বশেষে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর থানার ইসলামপুর বউবাজার এলাকার পাহাড়ি এলাকা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় গ্রেফতার করা হয় মোড়াকড়ি গ্রামের হৃদয় মিয়া, সুজাত মিয়া এবং জুয়েল মিয়াকে। এছাড়া সেমাবার বিকেলে এ মামলার আসামি সেলায়মান রনি ও শুভ মিয়ার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।






Related News

Comments are Closed