Main Menu

ময়মনসিংহে বাক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণঃ ধর্ষক গ্রেপ্তার

নেপাল ধর:ময়মনসিংহ জেলা শহরের গলগণ্ডা স্টেডিয়াম গেট এলাকার শারমিন আক্তার (26) বাক প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। দর্শক জাহিদুল ইসলাম মুন্নাকে কোতোয়ালী থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। যার মামলা নং ২৫ মামলার আরজি সূত্রে জানা যায়,বাক প্রতিবন্ধী নারী শারমিন আক্তার তার নিকটতম আত্মীয় চাচার বড় বোন ফুফুর কাছে স্টেডিয়াম গেট সংলগ্ন কামাল মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিলো। একই মালিকের বাসায় ভাড়া থাকতেন জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার অন্তর্গত কোনাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল ইসলামের ছেলে দর্শক জাহিদুল ইসলাম মুন্না। চতুরবাজ মুন্না দীর্ঘদিন যাবৎ বাক প্রতিবন্ধী নারী শারমিন কে ফুসলিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে আসছিল। এক পর্যায়ে বাকপ্রতিবন্ধী শারমিন ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে দর্শক বিয়ে না করে শারমিনের গর্ভপাত ঘটানোর চেষ্টা চালায়। বিষয়টি শারমিনের চাচা এবং ফুফুর দৃষ্টিগোচর হলে বাকপ্রতিবন্ধী শারমিন ইশারা ইঙ্গিতে দর্শক জাহিদুল ইসলাম মুন্নাকে শনাক্ত করে। মুন্না এই সময় তথাকথিত ভারিটিয়া মালিক কামাল মিয়ার সহযোগিতা চাইলে অসহায়ত্বের সুযোগে বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে কৌশলে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার হীন চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে ধর্ষিতা নারী ও তার নিকটতম আত্মীয় স্বজন থানা আশ্রয় নিলে পুলিশের মায়েত্বর ভূমিকায় ধর্ষক মুন্নাকে গ্রেপ্তার করে। ধর্ষিতা নারী শারমিন আক্তার অসচ্ছলতা থাকায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত ও আর্থিক সহযোগিতা করেন জেলা পুলিশ সুপার মোহা: আহমার উজ্জামান পিপিএম-সেবা ধর্ষণের ঘটনায় কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো:শাহ্ কামাল আকন্দ পিপিএম-বার ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই অমিত হাসান ন্যায়বিচার নিশ্চিতে অঠুক।






Related News

Comments are Closed