Main Menu

টাকা চুরির ঘটনা তদন্ত অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং

ডেইলি বিডি নিউজঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ও কঠিন।

রোববার বিকেলে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

এর আগে ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা রাজধানীর হেয়ার রোডে অর্থমন্ত্রীর  বাসভবনে যান এবং মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

ড. ফরাসউদ্দিন বলেন, যে টার্মস অব কন্ডিশন দেওয়া হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে আমরা সম্মত হয়েছি। আমরা তদন্ত করব।

তিনি বলেন, প্রায় ২০মিনিট আমরা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। তবে এই মুহূর্তে তদন্তের স্বার্থে আমরা এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে পারব না।

তদন্ত কমিটির অফিস কোথায় এ প্রশ্নে ফরাসউদ্দিন বলেন, অফিস নির্দিষ্ট হয়নি। যখন যেখানে দরকার সেখানেই আমরা বসব।

এর আগে ১৫ মার্চ ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে ১০১ মিলিয়ন ডলার চুরি যাওয়ার বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করে সরকার। কমিটিকে ৩০ দিনের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট এবং ৭৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট সরকারের কাছে জমা দিতে সময় বেধে দেওয়া হয়। ড.ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব গকুল চাঁদ দাস। অতিরিক্ত সচিব তদন্ত কমিটিকে সার্বিক সহায়তা দেবেন।

উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটির কাজ হলো বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে পেমেন্ট ইন্সট্রাকশন কিভাবে ও কার কাছে গেল, অবৈধ পরিশোধ ঠেকানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গৃহীত পদক্ষেপের পর্যাপ্ততা এবং বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে গোপন রাখার যৌক্তিকতার বিষয়ে তদন্ত করবে। এ ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সংশ্লিষ্টতা বা দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, চুরি যাওয়া অর্থ উদ্ধারের সম্ভাবনা এবং গৃহিত কার্যক্রমের পর্যাপ্ততা, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে গৃহীত ব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে সুপারিশ করা।

 






Related News

Comments are Closed