Main Menu

হযরত শাহ নেংটা বাবার মাজারের ভুয়া খাদিম বাবুলের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃঃ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার আক্তাপাড়া গ্রামে হযরত শাহ নেংটা বাবার মাজারের ভুয়া খাদিম বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে জাল জালিয়াতি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার সকালে হয়রানির শিকার শফিকুল ইসলাম নিজে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,ওয়াক্ফ দলিলের বিধান মোতাবেক ওয়াকিফ দুলামান্নেছা ধর্মপাশা উপজেলার আকতাপাড়া গ্রামের হযরত শাহ নেংটা বাবার মাজারের মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত হন বাবুল মিয়া। ওয়াকফ মোতাবেক দোলামান্নেছার মৃত্যুর পর তার ১ম পুত্র মোতাওয়াল্লী নিযুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও তার মৃত্যুর কারনে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ওয়াকিফের ২য় পুত্র বাবুল মিয়া মোতাওয়াল্লী নিযুক্ত হন। তিনি মুতাওয়াল্লী হওয়ার পর থেকেই মাজারের টাকা তার নিজের ব্যাংক একাউন্টে জমা রাখেন এবং তার নিজের মত করে টাকা উত্তোলন করে বিলাস বহুল বাড়ি ও অনেক জমির মালিক হয়ে যায়। অথচ লোক সমাজে বলাবলি করে এসব জায়গা মাজারের। তবে প্রকৃত পক্ষে নিজের নামে দলিল করে নেন,তিনি মাজারের কোন উন্নয়নমূলক কাজ আজো পর্যন্ত করেন নি।

অভিযোগকারীর দাদী মরহুমা দুলামুন্নেছা ২০১২ সালের ৩রা অক্টোবর মৃত্যু বরণ করেন। অথচ চাচা মো: বাবুল মিয়া বিগত ০৮/০৫/২০১৫ইং সনে তার দাদীর মৃত্যুর ৩ বছর পর দাদীকে দাতা সাজিয়ে একটি ভুয়া দানপত্র সৃজন করেন। যার দানপত্র রেজিঃ দলিল নং ৫০৯। তার দাদীর রেখে যাওয়া ওয়াকফ মোতাবেক পিতার মৃত্যুর পর উক্ত মাজারের মুতাওয়াল্লী হওয়ার কথা ছিল শফিকুল ইসলামের। কিন্তু তাকে বঞ্চিত করে তার চাচা মাজারের মুতাওয়াল্লী সেজে এবং মাজারের কোন উন্নয়ন না করেই মাজারের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। বাবুল মিয়ার এহেন অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করলেই সে মিথ্যা মামলা ও অভিযোগ দিয়ে নানভাবে হয়রানী করে। তারই জের ধরে গত ২রা অক্টোবর ধর্মপাশায় স্থানীয় সংবাদদিকদের সম্মুখে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে একটি কাল্পনিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

অভিযোগকারী আরো উল্লেখ করেন,আমার পিতা মরহুম লিলু মিয়া মারা যাওয়ার পর থেকেই আমার চাচা মো: বাবুল মিয়া ও তার সহযোগি কয়েকজন জোরপূর্বক সম্পুর্ন অন্যায়ভাবে হযরত শাহ নেংটার বাবার মাজারে সাধারন মানুষ ও ভক্তদের দান খয়রাতকৃত অর্থ লুটেপুটে খাচ্ছেন। বাবুল মিয়ার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে তিনি আমাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। তাই ঘটনাটি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে ওয়াকফ মোতাবেক অভিযোগকারী শফিকুল ইসলামকে মাজারের মোতাওয়াল্লী পদে নিযুক্ত করার জন্য তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো.বাবুল মিয়ার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো.মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ##






Related News

Comments are Closed